এই প্রতিমার গায়ে ৮ কেজি সোনার গয়না!

শেয়ার করুন সকলের সাথে...

দশেরা উৎসবকে ঘিরে সেজে উঠেছে বিশাখাপত্তনমের একটি মন্দির। মন্দিরের দেবীকে ভক্তরা এই উৎসব উপলক্ষ্যে উপহার দিয়েছে ২ কোটি টাকার ৮ কেজি সোনার গয়না এবং মন্দিরকে সাজানোর জন্য আড়াই কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবছরই দশেরার সময় এই রীতি পালন করা হয় মন্দিরে। দেবী নবরাত্রি উৎসাভালু উপলক্ষ্যে দেবীকে মুড়িয়ে দেওয়া হয় সোনার গয়নায়। এর পাশাপাশি মন্দির সাজানো হয় নগদ টাকায়। ভক্তরা তাঁদের সাধ্যমতো যা অর্থ দেয় সেটা দিয়েই এই মন্দিরকে সাজানো হয়। ২০০ জন ভক্তের অর্থে সেজে ওঠে মন্দির চত্ত্বর। বিশাখাপত্তনমের ১৪০ বছরের পুরনো এই মন্দিরে শ্রী মহালক্ষ্মীকে ১০ দিন ব্যাপী চলা নবরাত্রিতে বিভিন্ন অবতারে পুজো করা হয়। রবিবার মন্দিরের এই সাজ দেখতে প্রায় ৫০ হাজার ভক্তের সমাগম হয়। নবরাত্রির শেষদিনে যেহেতু দেবীকে মহালক্ষ্মী রূপে পুজো করা হয়, তাই মন্দির এবং দেবীকে গয়না ও টাকা দিয়ে সাজানোর রীতি দশকের পর দশক ধরে চলে আসছে। দেবীর পায়ে অর্থ সঁপে দিলে ব্যবসা এবং ভাল সৌভাগ্য পাওয়া যাবে বলে মনে করেন ভক্তরা।
মন্দির কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার কন্যাকা পরমেশ্বরী মন্দিরকে সাজিয়ে তোলা হয় সোনার গয়না ও নগদ টাকায়। ভারতীয় ও বৈদেশিক মুদ্রা উভয়ই ব্যবহৃত হয় এই মন্দির সজ্জায়। দেবীর পেছন দিক, মন্দিরের ভেতর এবং মেঝে সবই নতুন করে সাজিয়ে তোলা হয়। তবে তা সবই টাকা দিয়ে। মন্দিরের চেয়ারপার্সন কোল্লুরু ভেঙ্কটেশ্বর রাও বলেন, ‘‌ভক্তরা বিশ্বাস করেন যে আম্মাভারুকে (‌মন্দিরের প্রধান দেবী)‌ পুজোর আগে নগদ ও গয়না উপহার দিলে তা তাঁদের জন্য সৌভাগ্যজনক হবে। আমরা ভক্তদের কাছ থেকে যে পরিমাণ অর্থ নিই, পুজো শেষ হয়ে যাওয়ার পর তা তাঁদের ফেরত দিয়ে দেওয়া হয়। এটা কোনওভাবেই মন্দিরের কোষাগারে যায় না।’‌

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~