ডোপিংয়ের নিয়ম ভেঙে এক বছর নির্বাসিত রাসেল, বড় ধাক্কা নাইটদের

শেয়ার করুন সকলের সাথে...

এক বছরের জন্য সমস্ত রকম স্বীকৃত ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত হয়ে গেলেন আন্দ্রে রাসেল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জাতীয় দলে তো নয়ই, কোনও দেশের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগেও এই এক বছর খেলতে পারবেন না তিনি। যার অর্থ ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডারকে ছাড়াই দশম আইপিএলে নামতে হবে কলকাতা নাইট রাইডার্সকেও।

জামাইকার ডোপ বিরোধী কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী নিজের গতিবিধি না জানানোয় এক বছরের জন্য সমস্ত রকম স্বীকৃত ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত হয়ে গেলেন আন্দ্রে রাসেল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জাতীয় দলে তো নয়ই, কোনও দেশের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগেও এই এক বছর খেলতে পারবেন না তিনি। যার অর্থ ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডারকে ছাড়াই দশম আইপিএলে নামতে হবে কলকাতা নাইট রাইডার্সকেও।

 

শাহরুখ খানের ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য রাসেলের নির্বাসিত হওয়া বিরাট ধাক্কা হিসাবে দেখা দেবে। আইপিএলে অলরাউন্ডার রাসেল শাহরুখের দলের এক নম্বর ম্যাচউইনার। তাঁর অভাব কীভাবে পূরণ করা হবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তা তাড়া করতে বাধ্য নাইটদের।
বিশ্ব ডোপ বিরোধী সংস্থা (ওয়াডা)-র সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী গতিবিধি সংক্রান্ত শর্তাবলী মেনে চলতে হয় জামাইকার প্রত্যেক খেলোয়াড়কে। সেই শর্ত অনুযায়ী, ওয়াডা যখনই নির্দিষ্ট কোনও সময়ে খেলোয়াড়দের অবস্থান জানতে চাইবে, বাধ্যতামূলকভাবে সেটা জানাতে হবে। কিন্তু রাসেল ২০১৫ সালে তিনবার তাঁর গতিবিধি জানাতে পারেননি ওয়াডা ও জামাইকার ডোপ বিরোধী কমিশনকে। ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি,১ জুলাই ও ২৫ জুলাই। আরও অভিযোগ উঠেছিল যে, বারবার চিঠি ও ই-মেল পাঠানো হলেও তার কোনও উত্তর দেননি রাসেল। ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
ওয়াডার নিয়মানুযায়ী, তিনবার গতিবিধি জানাতে ব্যর্থ হলে ধরে নেওয়া হবে কোনও খেলোয়াড় একবার ডোপ পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন। সেক্ষেত্রে ডোপ পরীক্ষায় ব্যর্থদের ক্ষেত্রে যেরকম শাস্তি হয়, সেই একই শাস্তি দেওয়া হবে অভিযুক্ত খেলোয়াড়কে। রাসেলের ক্ষেত্রে তাই সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারত দু’বছরের নির্বাসন। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে দেখার জন্য তিন সদস্যের ট্রাইবুন্যাল তৈরি করা হয়েছিল। ট্রাইবুন্যালে রাসেল আত্মপক্ষ সমর্থন করে জানিয়েছিলেন যে, অজ্ঞতার কারণে তিনি তাঁর এজেন্ট উইল কুইনকে পুরো ব্যাপারটা দেখতে বলেছিলেন।
মঙ্গলবার ট্রাইবুন্যাল রায় দিয়ে জানিয়েছে, এক বছরের জন্য সমস্ত ধরনের ক্রিকেট থেকেই নির্বাসিত রাসেল। তাঁর যে কঠোর শাস্তি হতে পারে, অনুমান করেছিলেন রাসেল নিজেও। সোমবারই জামাইকার একটি সংবাদপত্রে তিনি বলেছিলেন, ”আমার মাথার ওপর কালো মেঘ জমেছে।” রাসেলের আশঙ্কাই সত্যি হল। কালো মেঘ জমল কেকেআর’এর মাথার ওপরেও।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...

Sponsored~

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.