খবর ২৪ ঘন্টা

মাওবাদীর সঙ্গে মানবাধিকারকর্মীদের প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে, জানাল মহারাষ্ট্র পুলিশ

শেয়ার করুন সকলের সাথে...

গত ২৯ আগস্ট পাঁচ মানবাধিকার কর্মীর গ্রেপ্তারি নিয়ে মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে জবাবদিহি তলব করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই নির্দেশ মতো বুধবার মহারাষ্ট্র পুলিস হলফনামায় জানায়, বিরোধী কন্ঠ দমন করতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। দেশের নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই মাওবাদীর সঙ্গে এই পাঁচ মানবাধিকারকর্মীর প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে। পুলিশের দাবি ভারভারা রাও–সহ পাঁচ সমাজকর্মীদের বিরুদ্ধে মাওবাদী যোগের প্রমাণ রয়েছে তাদের কাছে৷
এই মর্মে অভিযোগ এনে সুপ্রিম কোর্টের কাছে হলফনামা জমা দিয়েছে মহারাষ্ট্র পুলিস। এই নিয়ে ফের শুরু হয়েছে বিতর্ক৷ মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে মানবাধিকার কর্মীদের অকাট্য যোগ থাকার প্রমাণ হাতে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন মহারাষ্ট্র পুলিসের এডিজি পরমবীর সিং। তিনি জানিয়েছিলেন, ২০১৭ সালে ৩১ জানুয়ারি উস্কানিমূলক বক্তৃতা দেওয়ার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা শুরু হয়। দেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটিয়ে বর্তমান সরকারকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। দেশের বিশিষ্ট সমাজকর্মীদের নিয়ে বৃহত্তর মঞ্চ তৈরির চেষ্টা করছে মাওবাদী সংগঠন।
এমনকী মহারাষ্ট্র পুলিস সূত্রে খবর ছিল, সমাজকর্মীদের পাশাপাশি কংগ্রেসের বেশ কিছু নেতাও মাওবাদীর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তাদের দাবি, গত বছর নভেম্বর থেকে ২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত মাওবাদী নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছে কংগ্রেসের দুই নেতা। যদিও এই দুই কংগ্রেস নেতার নাম প্রকাশ করেনি তারা। গ্রেপ্তারির পর তাঁদের বিরুদ্ধে ইউএপিএতে অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়। সর্বোচ্চ আদালতে পুলিস জানিয়েছে, গত বছর ৩১ ডিসেম্বর এলগার পরিষদ নামে এক গোপন বৈঠক হওয়ার পরই ভীমা কোরেগাঁও আরও বেশি হিংসাত্মক হয়ে ওঠে। পুলিসের দাবি, ইয়ালগার শব্দকে বিকৃত করে এলগার রাখা হয়েছে। ইয়ালগার শব্দের বাংলা অর্থ আক্রমণ। এই গোপন বৈঠকে ভীমা কোরেগাঁওয়ে হিংসার ছক কষা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার হবে পরবর্তী শুনানি। সেখানেই পেশ করতে হবে দাবি অনুযায়ী প্রমাণ।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...