রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সাথে মোদীর ‘হোয়াইট হাউসের ভূত’ দর্শন…

শেয়ার করুন সকলের সাথে...

কিছুদিন পূর্বেই আমেরিকার রাষ্ট্রপতি  ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রথম সাক্ষাৎকার হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদী প্রায় পাঁচ ঘণ্টা রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সাথে সময় কাটান ও হোয়াইট হাউসেরও পরিদর্শন করেন। রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প ইনস্টাগ্রামে একটি ফটো পোস্ট করেন, যাতে তিনি উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদীকে উনি আমেরিকার পূর্ব রাষ্ট্রপতি অব্রাহম লিঙ্ক এর বেড রুম দেখান। হয়ত সবার এটা অজানা, কিন্ত হোয়াইট হাউসের সবার বিশ্বাস আজও নাকি এজায়গায় পূর্ব রাষ্ট্রপতি লিঙ্কনের ভূত থাকে।

অব্রাহম লিঙ্কন আমেরিকার ষোলতম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। আমেরিকার সবচেয়ে বড় গৃহ যুদ্ধ  এবং আমেরিকাতে দাস প্রথা শেষ করার কৃতিত্ব  ওনাকেই দেওয়া হয়।  অন্য়দিকে হোয়াইট হাউসের সদস্যদের মতে আজও ওনার ভূত রয়েছে এই বেডরুমে। লিঙ্কনের এই ভুতকে ‘হোয়াইট হাউস গোস্ট’ নামে লোকেরা জানেন।  লিঙ্কনের মৃত্যুর পর থেকেই হাউসের এই অংশ ভুতুড়ে হয়ে যায়। লিঙ্কনের মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না, ওনাকে গুলির করে হত্যা করা হয়। ওনার বন্ধু বার্ড হিল লেমন এর মতে, লিঙ্কনের মৃত্যুর তিনদিন আগে থেকেই নাকি লিঙ্কন তার পূর্বাভাস পেয়েছিলেন। লিঙ্কন ওনার স্বপ্নের মধ্যেই দেখতে পেরেছিলেন, ওনার বডি গার্ড ওনাকে হত্যা করছে।

ওনার ভূতের অস্তিত্ব প্রথমে ওনার স্ত্রী মেরি লিঙ্কনের এক ফটোতে ধরা পরে। মেরি লিঙ্কনের এক ছবিতে ওনার কাঁধে এক ভুতের হাত লক্ষ্য করা যায়, এছাড়াও অনেক পূর্ব রাষ্ট্রপতিরাও লিঙ্কনের বেডরুম থেকে কখনো ওনার হাঁটার বা কখনো ওনার কথা বলার আওয়াজ শুনার কথা স্বীকার করেছেন। পূর্ব রাষ্ট্রপতি এলেনার রুজভেলট্‌ এর মতে উনি সারাদিন লিঙ্কনের ভুতের আভাস পেতেন।রাষ্ট্রপতি লিঙ্কনের ভুতের অস্তিত্বের কথা হয়ত অজানাই থেকে যেত যদি না ব্রিটেনের পূর্ব প্রধানমন্ত্রী উইস্টন ্চার্চিল হোয়াইট হাউসে না থাকতেন। উনি যেই রুমে ছিলেন সেই রুমের এক কোণায় প্রধানমন্ত্রী বিস্টন লিঙ্কনের ভূতকে দেখতে পান যা কিছুক্ষণ বাদে নাকি অদৃশ্য হয়ে যায়। যদিও ১৯৮০ সালের পর ওনার ভূতকে আর দেখা যায় নি, তবুও হাউসের সদ্যসদের মতে লিঙ্কনের আত্মা নাকি আজও হোয়াইট হাউসে ঘুরে বেড়ায়।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.