খবর ২৪ ঘন্টা

সোনা, প্ল্যাটিনাম বা হিরের থেকেও দামি !! জেনে নিন পৃথিবীর সবথেকে মূল্যবান ১০টি ধাতু

শেয়ার করুন সকলের সাথে...

গয়না গুলোকে সর্বদা ব্যাঙ্কের লকারেই পুরে রাখা হয়, মা, শাশুড়ি মা সবাই নিজেদের গয়নাগাটিগুলোকে এভাবেই যত্ন সহকারে রেখে আসছি, ঘরে রইলে চোর- ডাকাতরা এসে যদি সব নিঃশেষ করে নিয়ে যায়। বিয়ে বলুন বা সামাজিক কোন অনুষ্ঠান সোনার গয়না ছাড়া তোঁ চলবেই না। আমরা সবাই নিজেদের স্ট্যাটাস দেখাতে গিয়ে একটু আরেকটু নিজেদেরকে অলঙ্কার দ্বারা প্রদর্শন করে থাকি। আবার এদিকে সোনার দর বাজারে কমা মাত্রই ছুটে যাই জুয়েলারিতে। বাবা! নোট বদলের সময়টাতে যা দেখা গেলো। সাধারণত আমাদের জন্য সোনা ভবিষ্যতের সঞ্চয় রূপে থাকে। আমরা সোনা বা হীরাকে সবচাইতে মূল্যবান রত্ন হিসাবে মনে করি। শুধু অলঙ্কার রূপে পড়তে পারলেই যে এই ধাতুগুলি খুব মূল্যবান তা নয়। আপনারা কি জানেন পৃথিবীতে রয়েছে এমন কিছু ধাতু যার মূল্য আমাদের কল্পনার বাইরে। পৃথিবী জুড়ে রয়েছে এমন কিছু মূল্যবান ধাতু বা মেটাল যা অধিকাংশেরই অজানা। যার মূল্য কোটি টাকারও অধিক। কি সেই এমন ধাতু! একটু ভাল করে জেনে নেওয়া যাক ……

১০. ইরিডিয়াম (Iridium) :


ইরিডিয়াম প্ল্যেটেনিয়াম ধাতুরই এক সদস্য। ইরিডিয়াম খুবই দুর্লভ একটি ধাতু, ১৮০৩ সালে বিজ্ঞানী তানেট এটিকে আবিষ্কার করেন। এর বার্ষিক উৎপাদন মাত্র তিন টন। এটা খুবই কঠোর ধাতু, প্রায় ২,৪৫০০ সেন্টিগ্রেটের পর গলিত হয়। এর বিদ্যুৎ প্রতিরোধ ক্ষমতা ৪.৯ । বিভিন্ন বৈদ্যুতিক কাজে ও রাসায়নিক কাজে এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

৯. রুথেনিয়াম (Ruthenium) :


রুথেনিয়াম হচ্ছে একটি রাসায়নিক ধাতু। জার্মান বিজ্ঞানী Karl Ernst Klaus ১৮৪৪ সালে এটি আবিষ্কার করেন। বর্তমানে যার মূল্য প্রতি ১০ গ্রাম ২০ ডলার। রুথেনিয়াম সাধারণত প্ল্যেটেনিয়াম থেকে পাওয়া যায়। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার পাহাড়ের খনিজে এটি বেশিরভাগ পাওয়া যায়। এটি একটি নিরেট, সাদা রঙে রূপান্তরিত ধাতু। রুথেনিয়াম প্ল্যেটেনিয়াম কে শক্ত বানাতে কাজে লাগে। বৈদ্যুতিক কাজে ও তেল পরিশোধনের কাজে রুথেনিয়াম ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

৮. সোনা (Gold) :


হাই ক্লাস থেকে মিডেল ক্লাস আমাদের সবার কাছে এই ধাতুটি মানে সোনা খুবই জনপ্রিয়, যা বিশদে বলার প্রয়োজন নেই। তবে হয়ত অধিকাংশ লোকেদের সোনার ব্যাপারে অনেক মজাদার ব্যাপার জানা নেই।
সোনা আর কপার এমন দুটো ধাতু যা সবথেকে প্রথমে আবিষ্কার হয়েছে, প্রায় ৫০০০ হাজার বছর আগে। পৃথিবীর ৮০ শতাংশ সোনা এখনও মাটির নীচে রয়ে গেছে। বিজ্ঞানীদের মতে সমুদ্রের অতলে এতো সোনা রয়েছে যে পুরোটা যদি বের করা হয় তাহলে প্রত্যেকের কাছে হয়ত ৪ কিলো করে সোনা থাকবে। পিউর গোল্ড মানে একেবারে বিশুদ্ধ সোনা এতটা নমনীয় হয় যে আমরা হাত দিয়েই একে সহজে মুড়ে দিতে পারি। ১০ গ্রাম সোনা দিয়ে আমরা প্রায় ১.৬ কিমি লম্বা তার বানাতে পারব। সোনার শুদ্ধতা ক্যারেট এ মাপা হয়ে থাকে। সোনা ১০, ১২, ১৪, ২২ এবং ২৪ ক্যারেটের হয়ে থাকে। পৃথিবীর সবথেকে বড় সোনার বিস্কুটের ওজন ২৫০ কিলো। সবচাইতে বেশী সোনা উদ্ধার করা কম্পানি হল ‘বেরিক গোল্ড'(Barrick),এটি কানাডাতে অবস্থিত। পৃথিবীর প্রায় সমস্ত মহাদেশ থেকেই সোনা পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানীরাদের ধারণা শুধু পৃথিবী কেন বুধ, মঙ্গল ও শুক্র গ্রহেও নাকি সোনা পাওয়া যায়।

৭. প্ল্যাটিনাম (Platinum) :  


পৃথিবীর ভূত্বকের অন্যতম মূল্যবান ধাতু হল প্ল্যাটিনাম। স্প্যানিশ নাম ‘প্ল্যাটিনা’ থেকে এই নামটি আসে। প্রতি গ্রামের মূল্য ২,৫২৪টাকা। প্রধান উৎস স্থল হল সাউথ আফ্রিকা, রাশিয়া, কানাডা। পর্যাপ্ত পরিমাণ হাইড্রজনের উপস্থিতির জন্য এই ধাতুটিতে নমনীয়তা, ঘনত্ব ও অক্ষয়কারী ক্ষমতা রয়েছে। প্ল্যাটিনামের বহু গুনের উপস্থিতি একে মূল্যবান বানিয়ে দেয়। যেমন, এটি জঙ্গ ও ঘর্ষণ প্রতিরোধী, এটি হাওয়াতে oxidize হয় না ও রাসায়নিক আক্রমণেরও প্রতিরোধী। তাই গয়না দিক দিয়ে প্ল্যাটিনাম নিলে আপনি লাভবানই হবেন। কারন রূপোর মত এটি সহজে কালোও হয়ে যায় না বা সোনার মত বেশী সময় অব্যবহারে এর উজ্জ্বলতাও কমে যাবে না। প্ল্যাটিনামের বিশ্ব উৎপাদনের ৫৯ শতাংশ catalytic converter রূপে মোটরবাহন নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। উজ্জ্বল চমকের জন্য ১৮ শতাংশ অলঙ্কার গঠনের কাজে প্রয়োগ করা হয়। এছাড়াও রসায়ন শ্রাস্ত্রে, কাঁচ নির্মাণে, বৈদ্যুতিক কাজে ও তেল উৎপাদনেও এর ব্যবহার রয়েছে।

৬. রোডিয়াম (Rhodium) :


রোডিয়াম খুবই দুর্লভ, দামি ও অনেকটা রূপোর মত রঙের ধাতু। সাম্প্রতিক বাজারে এর মূল্য প্রতি গ্রাম প্রায় ১০৪০ ডলার। প্রতিফলিত বৈশিষ্ট্যের জন্য রোডিয়াম সচারাচর ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সাউথ আফ্রিকা, রাশিয়া, কানাডা রোডিয়ামের উৎপত্তি স্থল।
প্রতিফলিত চমকের জন্য রোডিয়াম বিভিন্ন ধরণের সার্চ লাইট ও আয়না নির্মাণে ব্যবহৃত হয়। অলঙ্কারের কাজে যেমন হোয়াইট গোল্ড এর সাথেও প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। এছাড়াও বিভিন্ন শিল্প ক্ষেত্র, মোটরগাড়ি শিল্পেও রোডিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৫. টেফিট স্টোন( Taaffeite stone ) :


টেফিট স্টোন একটি রত্ন রুপেই পরিচিত। এর মূল্য প্রতি গ্রাম ১২.৬ লক্ষ্য। ১৯৪৫ সালে আয়ারল্যান্ডের ডুবলিন শহরে রিচাড টাফে(Richard Taaffe) দ্বারা প্রথম আবিষ্কার করা হয়। টেফিট স্টোন পৃথিবীর খুবই দুর্লভ পাথর। এই দুর্লভ পাথরটি লাল এবং বেগুনী রঙের হয়ে থাকে। হীরা থেকে কিছুটা নমনীয় হয়ে থাকে। আর এর ব্যবহার শুধুমাত্র রত্ন রূপে হয়ে থাকে।

৪. ট্রিটিয়ম (Tritium) :

হীরার পরেই ট্রিটিয়ম পৃথিবীর চতুর্থ মূল্যবান ধাতু। এক গ্রাম ট্রিটিয়মের মূল্য প্রায় ১৮.৯ লক্ষ্য টাকা।
এই ট্রিটিয়ম কথাটি আসে গ্রীক শব্দ ” ট্রিটস” থেকে, যার মানে তৃতীয়। অর্থাৎ তিনটি কণা,( একটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন) দ্বারা গঠিত। সামান্য পরিমাণে ট্রিটিয়ম প্রাকৃতিক ভাবে এই পৃথিবীতে পাওয়া যায়। তবে বেশীরভাগ ট্রিটিয়ম কৃত্রিম উপায়েই সৃষ্টি করা হয়। যেমন, নিউট্রন অ্যাক্টিভেশন বা নিউক্লিয়ার বিদারণ দ্বারা। মূলরূপে এর ব্যবহার দামী ঘড়ি, ঔষধ এবং রেডিও থেরাপিতে করা হয়ে থাকে। এছাড়া কিছু কিছু পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণের কাজেও ব্যবহৃত হয়।

৩. হীরা (Diamond) :


আমরা মেয়েরা যতই সোনা পছন্দ করি না, হীরার চাহিদা মনের মধ্যে সর্বদা থাকে। আর প্রিয়জন থেকে যদি এটাকে উপহার হিসাবে পাওয়া যায় তবে নিজেকে কোন অংশ থেকে রাজকন্যা থেকে কম ভাবি না। শুধু মেয়েদেরই কেন হীরা সবার মনেই চমক এনে দেয়। হ্যাঁ, তাই তোঁ হীরা পৃথিবীর এক দুর্লভ রত্ন। এক সমীক্ষা থেকে জানা গেছে এমন কিছু হীরা রয়েছে যা ৩.২ হাজার পুরানো, যার মূল্য প্রতি গ্রাম ৩৪.৮১ লক্ষ্য টাকা।
প্রাকৃতিক ভাবে হীরা পৃথিবীর ১৪০ থেকে ১৯০ কিমি গভীরে উচ্চতাপ ও চাপের মধ্যে থাকে। আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণে ম্যাগমার দ্বারা কয়লার সাথে বেরিয়ে আসে। আপনি কি জানেন হীরা পরিপূর্ণ রূপে আসতে প্রায় ১বিলিয়ন থেকে ৩.৩বিলিয়ন বছর লেগে যায়! যার মানে ২৫ শতাংশ থেকে ৭৫ শতাংশ পৃথিবীর বয়সের সমান। রয়েছে হলুদ, বাদামী, সবুজ, গোলাপি, লাল রঙের হীরা। তবে বিশুদ্ধ হীরা রঙ বিহীনই হয়, যার উপর আলো ফেললে নানা রঙের আভা নির্গত হয়।
এক নির্দিষ্ট তাপমাত্রাতে কৃত্রিম উপায়েও(HPHT method) হীরা উৎপাদন করা হয়ে থাকে। এর অপরূপ নকশা ও ঔজ্জ্বল্যতার জন্য অলঙ্কার রুপেই হীরা ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

২. ক্যালিফোরিয়াম (Californium) :

বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রসায়ন দ্বারা আবিষ্কার করে চলছে এমন কিছু উপাদান যার সঠিক ব্যবহার জীবনকে সহজ করে তুলে, যেমন ‘ক্যালিফোরিয়াম’ এর আবিষ্কার।  দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ক্যালিফোরিয়াম। এর প্রতিগ্রামের মূল্য প্রায় ১৭০.৯১ কোটি টাকা। ১৯৫০ সালে আমেরিকাতে ক্যালিফোরনিয়ার রেডিয়েশান বিশ্ববিদ্যালয়ে চারজন বৈজ্ঞানিক Glenn Seaborg, Albert Ghiorso, Kenneth Street এবং Stanley G Thompson সম্মেলিত ভাবে এই ক্যালিফোরিয়াম এর আবিস্কার করেন। ক্যালিফোরিয়াম হচ্ছে একটি রেডিও অ্যাকটিভ ধাতব রাসায়নিক উপাদান। এর অ্যাটোমিক নম্বার হচ্ছে ৯৮। রাসায়নিক উপাদান কিউরিয়াম এর সাথে আলফা কণার(helium ions) সংমিশ্রণের দ্বারা ক্যালিফোরিয়ামকে প্রথম সংশ্লেষিত করা হয়। যার আণবিক ভর অন্য উপাদান থেকে বেশী।
এর ব্যবহার নিউক্লিয়ার রিয়েকটার হিসাবে করা হয়ে থাকে। নিউট্রনের এক বড় উৎস হল এই ক্যালিফোরিয়াম তাই এর ব্যবহার আরও বেড়ে যায়। আর এর নিউট্রনের সক্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে সোনা, রুপার উৎস স্থল অনুসন্ধান করা হয়। এছাড়াও ক্যালিফোরিয়াম(২৫২) দ্রুত ও দক্ষতার সাথে বিমানবন্দরে মালপত্র না খুলেই এর পরীক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয়। মাটিতে কতখানি আদ্রতা রয়েছে তা জানার জন্য, সড়ক ও ভবন নির্মাণকারীর কাজে লাগে। শুধু তাই নয় ক্যালিফোরিয়াম(-২৫২) মানব চিকিৎসা ক্ষেত্রেও সাহায্য করছে। এর দ্বারা হাড়ের স্বাস্থ্য সম্বন্ধে জানা যায়। তাছাড়া ওভারিয়ান ও সারভাইকেল ক্যান্সারের চিকিৎসাতে এর ব্যবহার হয়।

১. অ্যান্টিমেটর (Antimatter)

অ্যান্টিমেটর এর প্রতি গ্রামের মূল্য ৩৯৩.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা। তাই অনায়সেই আপনি ১ গ্রাম অ্যান্টিমেটর  বিক্রি করে পৃথিবীর একশটি ছোট ছোট দেশকে কিনে ফেলতে পারবেন। তাই নাসা র বৈজ্ঞানিকদের মতে অ্যান্টিমেটর পৃথিবীর সবচাইতে মুল্যবান ধাতু।
অ্যান্টিমেটরের এক গ্রামের মূল্য ৬.২৫ লক্ষ কোটি ডলার, মানে ৩৯৩.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা। এখন আসুন জেনে নেই আসলে অ্যান্টিমেটর জিনিসটা কি! প্রথমেই বলি এটি একটি পদার্থেরই সমান। আমাদের চারিপাশের সবকিছুই পদার্থের দ্বারা তৈরি, আর সব পদার্থেরই ভিতরকার কণা বা অ্যাটমের গঠনে সাধারণত পজেটিভ চার্জে থাকে নিউক্লিয়াস আর নেগেটিভ চার্জে থাকে ইলেক্ট্রোস। কিন্ত অ্যান্টিমেটরের অ্যাটমে নেগেটিভ চার্জে থাকে নিউক্লিয়াস আর পজেটিভ চার্জে থাকে ইলেক্ট্রোস। আর এইরকম উল্টো গঠনের জন্যই একে বলা হয়ে থাকে অ্যান্টিমেটর। তাই যদি মেটরের সাথে অ্যান্টিমেটরের সংস্পর্শ করানো যায় তবে হয়ে যাবে এক অকল্পনীয় বিস্ফোরণ, যা থেকে নির্গত হবে ‘গামা রে’। ভৌতবৈজ্ঞানিকদের মতে এই ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টির শুরুতে মেটারের সাথে সাথে রয়েছিল অ্যান্টিমেটর যা একে অপরের সংস্পর্শে এসে বিস্ফোরণ হয়ে গামা রে ছেড়ে যায় আর ব্রহ্মাণ্ডে রয়ে যায় শুধু মেটার। ১৭ই নভেম্বর ২০১১ তে Center for European Nuclear Research এর বিজ্ঞানীরা অ্যান্টিমেটার বানাতে সক্ষম হয়েছেন, ওনাদের মতে যদি এই অ্যান্টিমেটার সমব্ধধিত সব রহস্য জানতে পারেন তবে ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি আর অজানা থাকবে না।  এই অ্যান্টিমেটারের ব্যবহার ক্যান্সার সনাক্তের জন্য করা হয়, আর একে বলা হয়ে থাকে Positron Emission Tomography, এছাড়াও অ্যান্টিমেটার প্রচুর পরিমাণে শক্তি সৃষ্টি করতেও সক্ষম তাই হতে পারে ভবিষ্যৎ এ সমস্ত নিউক্লিয়েকটারের জায়গায় অ্যান্টিমেটাররিয়েকটার ব্যবহার করা হবে। যদি বিজ্ঞানীরা আরও অ্যান্টিমেটারের সৃষ্টির দ্বারা এর থেকে শক্তির সঞ্চার করতে পারে, তবে এমন মহাকাশযান বানাতে পারবে যা আলোর গতিতে চলবে ও পুরো ব্রহ্মাণ্ডের সব রহস্যকে জানতে পারবে ও পৃথিবীকে বিনাশের হাত থেকে বাঁচাতে পারবে। এছাড়াও এর প্রয়োগ মহাকাশযান ও বিমানে করা হয়ে থাকে।

 

 

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...