মদ্যপ কর্মরত বিমান চালক! জবাবদিহি চাইল ডিজিসিএ

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 24
    Shares

দিল্লি থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং–৭৮৭ ড্রিমলাইনার বিমানের ওড়ার কথা ছিল সোমবার দুপুর ২টো ৪৫ নাগাদ। সেই বিমানের চালককেই পাওয়া গেল মদ্যপ অবস্থায়৷ ব্রেথ টেস্টে তাঁকে মদ্যপ পাওয়ার পর ওই শীর্ষ চালককে ডিরেক্টর জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশনের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
জানা গিয়েছে, এয়ার ইন্ডিয়ার ডিরেক্টর অফ অপারেশনের পক্ষ থেকে ক্যাপ্টেন অরবিন্দ কাঠপালিয়ার শ্বাস–প্রশ্বাসের পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষাতে ধরা পড়ে তিনি মদ্যপ রয়েছেন। এয়ার ইন্ডিয়ার অভিজ্ঞ এই চালক অরবিন্দ অতীতে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বিমান উড়িয়েছেন। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার তাঁকে মদ্যপ অবস্থায় পাওয়া যায় বলে জানা গিয়েছে। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতেও তাঁকে বিমান ওড়ানোর আগে মদ্যপ অবস্থায় পায় এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। সেই সময় তাঁকে তিনমাসের জন্য সাসপেন্ড করে রাখা হয়। এমনকি দিল্লি পুলিসের কাছে এভিয়েশনের নিয়ম লঙ্ঘন করার জন্য অভিযোগও দায়ের হয়। সোমবার এই ঘটনার পর অন্য চালককে দিয়ে বিমান ওড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দিল্লি–লন্ডনগামী বিমান সাতঘণ্টা দেরিতে উড়বে বলে জানা গিয়েছে।
এই ঘটনার পর এয়ার ইন্ডিয়ার শীর্ষ চালককে তিনবছরের জন্য সাসপেন্ড করে দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার নিয়ম অনুসারে, বিমান ওড়ানোর ১২ ঘণ্টা আগে চালক যে কোনও ধরনের নেশা জাতীয় পানীয় খেতে পারেন। কিন্তু তারপর আর নয়। বিমান ওড়ানোর আগে চালকদের বাধ্যতামূলক এই ব্রেথ টেস্ট করানো। যেটা করার পর কোনও চালক মদ্যপ কিনা তা বোঝা যায়।
তবে এদিনের ঘটনার পর বিমান চালক অরবিন্দ বলেন, ‘‌ব্রেথ টেস্টের পর আমি বিমান ওড়ানোর কিছুক্ষণ আগে একটি ঘরে বসেছিলাম। এরপর চিকিৎসক আসেন এবং আমায় বলেন যে আমার রক্তে নেশার জিনিস পাওয়া গিয়েছে। যা রিপোর্টে উল্লেখ করা আছে। আমি চিকিৎসককে প্রশ্ন করি যে আমায় তখন কেন জানানো হয়নি, তিনি বলেন মেশিন গণ্ডগোল করছিল।’‌ অরবিন্দ কাঠপালিয়া জানান, তিনি তখন বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে রক্ত পরীক্ষা করান কিন্তু তার রিপোর্ট দু’‌দিন পর আসবে।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 24
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~