ফের বিতর্কে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়….

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 9
    Shares

নতুন করে বিতর্ক মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে মহম্মদ আলি জিন্নার ছবি নিয়ে৷ আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক মৌলানা আজাদ লাইব্রেরিতে জিন্নার ছবি লাগানো নিয়ে বিরোধ বেঁধেছে৷ পাকিস্তানের জনক জিন্নার সঙ্গে মহাত্মা গান্ধীর বেশ কয়েকটি ছবি প্রদর্শন করা হয় সেখানে৷ তাও আবার ২ অক্টোবর, মহাত্মার জন্মদিনের দিন৷ গান্ধী জয়ন্তীতে লাইব্রেরির সেন্ট্রাল হলে গান্ধীজীর উপর একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল৷ সেখানে মহাত্মার লেখা এমন বহু বই ও চিঠির প্রদর্শন করা হয়েছিল যেগুলি তিনি আলিগড়ের পড়ুয়াদের উদ্দেশে লিখেছিলেন৷ সেখানে গান্ধীজীর বেশ কিছু দুর্লভ ছবিও টাঙানো হয়েছিল৷ তারমধ্যে এমন কয়েকটি ছবি ছিল যেখানে গান্ধীজীর সঙ্গে একই ফ্রেমে বন্দী ছিলেন মহম্মদ আলি জিন্না৷
যদিও খবর ছড়াতেই ছবিগুলি সরিয়ে নেয় কর্তৃপক্ষ৷ তবুও রোখা যায়নি বিতর্ক। আলিগড়ের প্রাক্তন মেয়র বিজেপির শকুন্তলা ভারতীর কথায়, ‘ওরা কি গান্ধী জয়ন্তী পালন করছিল নাকি জিন্না জয়ন্তী! এটা একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান৷ কারও যদি জিন্নার ছবির প্রদর্শনী করার ইচ্ছে থাকে সেক্ষেত্রে তারা পাকিস্তান চলে যেতে পারে৷’
ইতিমধ্যেই মৌলানা আজাদ লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান আমজাদ আলিকে এই ঘটনার কারণ জিজ্ঞাসা করে নোটিস ধরানো হয়েছে৷ কেন এই ঘটনা ঘটল জানতে চাওয়া হয়েছে তাঁর কাছে৷ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা এই ছবি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয়৷ অথচ অদ্ভূতভাবে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস চ্যান্সেলর মহম্মদ হানিফ বেগ৷
এর আগে, আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিয়ন রুমে মহম্মদ আলি জিন্নার ছবি ঘিরে যখন বিতর্ক তৈরি হয়, সেই সময় এর প্রশ্নের জবাবে এখানকার বিজেপি সাংসদ সতীশ গৌতম বলেছিলেন, ‘গান্ধীজীর সঙ্গে জিন্নার ছবি আমরা কিছুতেই বরদাস্ত করব না৷ ভারত ভাগের জন্য জিন্নাই দায়ী৷’
এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র সফি কিদওয়াই জানান, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ সম্পর্কে কিছুই জানত না৷ তবে খবর কানে আসতেই ছবিগুলি সরিয়ে ফেলা হয়৷ চিঠি ধরানো হয় আমজাদ আলিকে৷ তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন এই ছবি প্রদর্শনীতে ব্যবহার করা হয়েছে৷

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 9
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~