বোয়িং ৬১০-এর দ্বিতীয় ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 18
    Shares

গত বছর ২৯ অক্টোবর জাকার্তা থেকে সুমাত্রার উদ্দেশ্যে ‌ওড়ার মাত্র ১৬ মিনিটের মধ্যে জাভা সমুদ্রে যাত্রী নিয়ে বিমানকর্মী সহ ১৮৯ জনকে নিয়ে ভেঙে পড়েছিল লায়ন এয়ারের বোয়িং ৬১০। মৃত্যু হয়েছিল প্রত্যেকেরই। কিন্তু মাত্র ১২৫ জনকেই শনাক্ত করা গিয়েছিল। সেই ভেঙে পড়া লায়ন এয়ারের বোয়িং ৬১০–এর ককপিট ভয়েস রেকর্ডার বা সিভিআর খুঁজে পেলেন ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর ডুবুরিরা। একথা জানিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট সেফটি কমিটি বা এনটিএসসি–র উপপ্রধান হারিও সাটমিকো। প্রথম ব্ল্যাক বক্সটি গত ১ নভেম্বরই উদ্ধার হয়েছিল। তখনই জানা গিয়েছিল প্রায় সম্পূর্ণ নতুন বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ বিমানটি এর আগে মাত্র ১৯বার আকাশে উড়েছিল। তবে তদন্তকারীরা প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছিলেন, শেষ চারটি উড়ানেই লায়ন এয়ারের উড়ান ৬১০–এ যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়েছিল।
মৃতদের আত্মীয় পরিজনদের অনুরোধে গত বছর ডিসেম্বরে ২.‌৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করে একটি ডাচ কোম্পানিতে বিমান দুর্ঘটনার তদন্তের জন্য ভাড়া করেছিল। মৃতদের ৩০টি পরিবার লায়ন এয়ারের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করে। এটি বিমানের দুটি ব্ল্যাক বক্সের দ্বিতীয় এবং অন্যতম অংশ। যেখানে বিমান ভেঙে পড়েছিল সেখান থেকে প্রায় ১০০০ মিটার এলাকাজুড়ে খোঁজাখুঁজির পর সমুদ্রতলের নিচে প্রায় আট মিটার কাদার গভীরে সোমবার স্থানীয় সময় সকালে সিভিআর–টি মিলেছে বলে জানালেন নৌবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল আগুং নুগ্রোহো। ওই ব্ল্যাক বক্স থেকে পাইলটদের শেষ মুহূর্তের কথপোকথন পাওয়া যাবে। তাহলে কেন এবং কীভাবে বিমান ধ্বংস হল সেটা বুঝতে সুবিধা হবে তদন্তকারীদের। তবে তার আগে ওই ব্ল্যাক বক্স টানা চার দিন রোদে শুকনো করতে হবে এবং তারপর ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে বলে জানিয়েছেন নৌসেনার ক্যাপ্টেন নুরকাহ্‌ইয়ো উটোমো।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 18
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~