ব্রেক্সিট নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত ব্রিটেন

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 11
    Shares

ব্রেক্সিট নিয়ে ব্রিটেন মন্ত্রিসভা দ্বিধাভিবক্ত। পদত্যাগ করেছেন খোদ ব্রেক্সিট সচিব ডমিনিক রাব ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত মন্ত্রী শৈলেশ ভারা। পদত্যাগ করেছেন আরও ২ মন্ত্রী। ব্রেক্সিট নিয়ে ইংল্যাণ্ডের প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবিত খসড়া মানতে নারাজ সরকারেরই কয়েকজন মন্ত্রী। ফলে রীতিমতো চাপের মুখে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে। এদিকে প্রধানমন্ত্রীকে কিছুটা স্বস্তি দিয়ে শুক্রবার সরকারের প্রবীণতম মন্ত্রী মাইকেল গ্রোভ জানিয়েছেন, পরিবেশ সচিব পদে থেকে ব্রেক্সিট প্রস্তাব পার্লামেন্টে পাশ করানোর চেষ্টা করবেন তিনি। তবে ব্রেক্সিট নিয়ে যেভাবে আলোচনা চলছে, তাতে কিছুটা বদল আনার শর্ত দিয়েছেন গ্রোভ। কিন্তু সেই শর্তও মানতে নারাজ প্রধানমন্ত্রী। এর ওপর রয়েছে বিরোধীদের চাপ। তবু চাপের মুখেও পিছু হটতে নারাজ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘‌‌আমার কথা যদি ধরেন, তা হলে ব্রেক্সিট নিয়ে দ্বিতীয় দফার গণভোট হবে না‌।’‌
এই অবস্থায় মে–র বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে হলে টোরি দলের ৪৮ জন সাংসদের চিঠি দরকার। মে–র বিরোধী শিবিরে এখন রয়েছেন ২৮ জন। তবে অনাস্থা প্রস্তাব আনলেও তা পাশ করানো কঠিন। কারণ সেক্ষেত্রে দরকার হবে ১৫৮ জনের সমর্থন। এই জটিল পরিস্থিতির মধ্যে যদি ব্রিটেনের পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রীর ব্রেক্সিট খসড়া খারিজ হয়ে যায়, তা হলে মে–র বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হতে পারে। পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে ঝটিতি নির্বাচনের দিকেও যেতে পারে দেশ। নয়তো ব্রেক্সিট নিয়ে ফের গণভোট চাওয়া হতে পারে। আর প্রস্তাব পাশ হলে এ নিয়ে পার্লামেন্টে ভোটাভুটি হতে পারে ডিসেম্বরের গোড়ায়। তবে ঠিক কোনদিকে মোড় নেবে পরিস্থিতি, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
মে–র বিরোধীরা মনে করছেন, খসড়া প্রস্তাবে ব্রাসেলসকে বড় বেশি ছাড় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের মতে, এভাবে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ছাড়লে ব্রিটেনের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ হবে। মে–র প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন লেবার পার্টির নেতা জেরোমি করবিনও। তবুও মে বলে যাচ্ছেন, ‘‌‌আমিও শেষ দেখে ছাড়ব।’‌ ইতিমধ্যেই কনজারভেটিভ এমপি জ্যাকব রিস–মগ বলেছেন, দল ও দেশের স্বার্থে টেরেসা মে–র সরে দাঁড়ানো উচিত।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 11
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~