উপনির্বাচনে রাজ্যে-রাজ্যে লজ্জার হার বিজেপির ~ তবে কি শেষ মোদী-শাহ ম্যাজিক ?

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 52
    Shares

ওয়েব ডেস্ক~ উত্তরপ্রদেশের নুরপুরে জয়ী সমাজবাদী পার্টি ~ কর্ণাটকের আরআর নগরে জয়ী কংগ্রেস ~ বিহারে জোকিহাট কেন্দ্রে জয়ী আরজেডি ~ কেরলের চেঙ্গান্নুরে জয়ী সিপিএম ~ পদ্মফুল ফুটল না বিজেপি শাসিত ঝাড়খন্ডেও… 
এটা নিছক একটা পরিসংখ্যান নয়৷ একটা ইঙ্গিত৷ বলা ভালো ২০১৯ সালের সেমিফাইনালে কার্যত মুখ পোড়াল বিজেপি৷ বিহারের জোকিহাট বিধানসভা কেন্দ্রটি যে ভাবে লালুপ্রসাদ যাদবের আরজেডির দখলে গেল, তা লজ্জায় ফেলে দিয়েছে স্থানীয় বিজেপি নেতাদের।
ওই কেন্দ্রের ফলাফলে দেখা গিয়েছে জেডি(ইউ) ভোট পেয়েছে ৩৭,৯১৩ টি। অন্য দিকে আরজেডি প্রার্থী ভোট পেয়েছেন ৭৬,০০২টি। অর্থাৎ আরজেডি প্রার্থী ৩৮,০৮৯টি ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবে দুই প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধানের থেকেও কম ভোট পেয়েছেন বিজেপি সমর্থিত জেডি(ইউ) প্রার্থী। এই ঘটনাটি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না আরজেডি।

গত ২৮ মে ১০টি বিধানসভা এবং চারটি লোকসভার উপনির্বাচনের ঠিক আগের দিন পরিকল্পিত ভাবে অর্ধসমাপ্ত দিল্লি-মেরঠ হাইওয়ের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভোটারদের প্রভাবিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল৷ তবে জনতা তার জবাব দিল ভোটবাক্সে৷ বিজেপির এই হারের মূল কারণ কী? বিজেপি যখন দেশের ২০টি রাজ্যে শাসন ক্ষমতা দখল করে বাকি রাজ্যগুলিতেও নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে, তখন জেতা আসনই তাদের হাতছাড়া হল৷ এর পিছনে কারণ খুঁজছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা৷

উত্তরে উঠে আসছে বহুবিধ যুক্তি। উত্তরপ্রদেশের কইরানাতে জবাব দিয়েছেন আখ চাষীরা৷ বিরোধীরা বলত, বিজেপি সরকার চাষিদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যখন বলেন, তিনি আখ চাষিদের পাশে দাঁড়াবেন তখন চাষিদের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়, এত দিন তা হলে সরকার তাঁদের পাশে ছিল না। সবমিলিয়ে আপাতত লজ্জার হার দেখতে হচ্ছে তাদের৷

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 52
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~