চীন-পাকিস্তানের যৌথ করিডরের প্রতিবাদ, এককাট্টা পাক অধিকৃত কাশ্মীর

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 56
    Shares

ক্ষোভ বাড়ছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দাদের৷ তাদের নয়া প্রশ্ন যে যৌথ উদ্যোগে করিডর বানাচ্ছে চীন ও পাকিস্তান, তার আসল উদ্দ্যেশ্য কি? তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন আর্থিক কারণে করিডর?‌ নাকি সামরিক কারণে? পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সমাজকর্মী এবং রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করে আর্থিক নয়, সামরিক প্রশ্নেই তৈরি হচ্ছে এই করিডর। তাঁদের অভিযোগ, পাকিস্তান রাওয়ালকোট, কোটলি, বাঘ, নীলাম এবং মুজফফরবাদ সহ–কয়েকটি এলাকায় আইন ভাঙছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের আপত্তি সত্ত্বেও চীন এবং পাকিস্তানের মধ্যে বেসরকারি বাস পরিষেবা শুরু হয়েছে। লাহোর থেকে চীনের কাসঘর পর্যন্ত বাস চালানো হচ্ছে। শনিবার লাহোরের গুলবার্গ থেকে ছেড়েছে বাস। গন্তব্যে পৌঁছবে প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর। পথে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট–বাল্টিস্থানের মতো এলাকা পড়বে। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার কয়েকদিন আগেই বলেছেন, তথাকথিত চীন–পাকিস্তানের অর্থনৈতিক করিডর দিয়ে বাস চলানোর তীব্র বিরোধিতা করছে ভারত।
এই ব্যাপারে শুরু হয়েছে প্রতিবাদও। ইউনাইটেড কাশ্মীর পিপিলস ন্যাশনাল পার্টি রবিবার প্রতিবাদে পথে নেমেছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, ইউকেপিএনপি’‌র সঙ্গে আছে আরও কয়েকটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল। প্রত্যেকেরই দাবি এই তথাকথিত সমন্বয় বন্ধের জন্য পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। ইউকেপিএনপি’‌র প্রাক্তন সম্পাদক জামিল মাসুদ জানান, ‘‌আমরা চাই পাকিস্তান এই পদক্ষেপ করা থেকে সরে আসুক। কারণ এটা মানুষের স্বার্থে প্রকল্পটি গড়ে তোলা হচ্ছে না।’‌
উল্লেখ্য পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্যে দিয়ে আর্থিক করিডর তৈরির পরিকল্পনা করেছে পাকিস্তান এবং চীন। দু’‌দেশের দাবি এই উদ্যোগের নেপথ্যে আছে আর্থিক বিষয়। কিন্তু ৫০ বিলিয়নের এই করিডর পশ্চিম চীনের কাশঘর থেকে পাকিস্তানের গ্বাদার কেল্লা পর্যন্ত বিস্তৃত। করিডরের দূরত্ব তিন হাজার কিলোমিটার। সমাজকর্মীদের দাবি, এই এলাকা পাকিস্তানের জবরদখল মুক্ত হোক।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 56
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~