খবর ২৪ ঘন্টা

ডোকলাম থেকে শিক্ষা নিক ভারত, পরামর্শ চিনের

শেয়ার করুন সকলের সাথে...

ওয়েব ডেস্ক~ ফের হুমকি চিনের৷ এবার ডোকলাম নিয়ে৷ বিতর্কিত ডোকলাম থেকে শিক্ষা নিক ভারত৷ এই ভাষাতেই কার্যত হুঁশিয়ারি দিল বেজিং৷ চিনের বিদেশমন্ত্রক বলেছে গত বছর ডোকলাম নিয়ে দুদেশের মধ্যে যে টানাপোড়েন চলেছে, তা থেকে শিক্ষা নিক ভারত৷ এই মন্তব্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দুদেশের মধ্যে৷

গতবছরই ভারত-চিন-ভুটান সীমান্তে অবস্থিত বিতর্কিত ওই মালভূমিতে দুই দেশের সেনা সমাবেশ ঘটানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দেয়। এরআগে, চিনের একটি সংবাদপত্রে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বলেন, ডোকলাম ইস্যুতে ভারতের কোনও ভূমিকা ছিল না৷ চিনের সেনাবাহিনীই প্রথম উত্তেজনা মূলক পদক্ষেপ করে৷ এতেই চিন ক্ষুব্ধ হয়৷ সোমবার চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র হুয়া চুনইং জানিয়ে দেন, ডোকলাম তাদের এলাকা। সেখানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে।

এরআগেও, এই একই ধরণের বক্তব্য রেখেছিল চিন৷ সেনাবাহিনীর এক আধিকারিক জানান, দুই দেশের মধ্যে অচলাবস্থা সৃষ্টির প্রেক্ষাপটে চিনা সেনারা পাহারা অব্যাহত রাখবে৷ তিনি আরও বলেছিলেন, চিন-ভারত সীমান্তের শান্তি ও স্থিতিশীলতার সঙ্গে দুই দেশের সীমান্ত এলাকার মানুষের স্বার্থ জড়িত। তার সঙ্গে আপোষ করবে না তারা৷

এরআগে, ভারতের ডোকলাম থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টিকে চিন নিজেদের নৈতিক জয় হিসেবে দাবি করেছিল৷ তবে পালটা জবাব দেয় ভারতও৷ নয়াদিল্লি জানায়, দুই দেশই ডোকলাম খালি করে দিলে অবশ্যই তা হবে ভারতের কূটনৈতিক জয়। কারণ, আড়াই মাস ধরে চিন বারবার ভারতকে ডোকলাম থেকে সরে যেতে বললেও ভারত সরেনি।

অনেকেরই ধারণা, ডোকলাম নিয়ে চিন নতুন করে দাবি জানানোয় অশান্তির আশঙ্কা ফের প্রবল হচ্ছে। এমনিতে ডোকলাম মালভূমি ছোট্ট এক চিলতে এলাকা। ভারতের মিত্র দেশ ভুটানের দাবি, ডোকলাম তাদের। কিন্তু তাতেও আপত্তি চিনের৷ গত জুনে চিনা সেনাবাহিনী ডোকলামে রাস্তা তৈরির উদ্যোগ নিলে ভারতীয় সেনারা তাদের বাধা দেয়। এ ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লে পরে সেখানে সেনা সমাবেশ ঘটায় তারা।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...