মাঝ আকাশে বিমান বিপত্তি: ৩০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি যাত্রীর….

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 27
    Shares

মাথাব্যথা বাড়ল জেট এয়ারওয়েজের। ৩০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ চাইলেন ওই ঘটনায় আহত এক যাত্রী। শুধু তাই নয়, পরবর্তী সময়ে তাঁর কাটা ১০০টি দ্বিতীয় শ্রেণি বা ইকনোমিক ক্লাসের টিকিট যাতে বিজনেস ক্লাস বা প্রথম শ্রেণির টিকিটে পরবর্তিত হয়ে যায়, সেই সুবিধাও চাইলেন ওই আহত ব্যক্তি। গত বৃহস্পতিবার সকালে জয়পুরগামী বিমানের ঘটনায় ইতিমধ্যে তদন্তে নেমেছে ডিজিসিএ। ওই যাত্রীর দাবি বিমানে যাত্রীদের সুরক্ষার দায়িত্ব বিমানসংস্থার। জেট এয়ারওয়েজ সেই দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করেনি। আর তাই এই অভিযোগেই ক্ষতিপূরণ দাবি করলেন তিনি। পাশাপাশি ওই সময় বিমানের ভেতরের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার কথাও বলেন। আর নিয়মানুযায়ী, এই ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য অভিযুক্ত বিমানসংস্থা। তাই আগামিদিনে জেট এয়ারওয়েজকে এই ক্ষতিপূরণ দিতে হয় কিনা এখন সেটাই দেখার। এদিকে, প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, কেবিন ক্রু–দের গাফিলতিতেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। ইতিমধ্যে তাঁদের দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে। এমনকি সরানো হয়েছে চালক এবং সহকারী চালককেও। তাঁদের আপাতত রুটিনের বাইরেই রাখা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পাশাপাশি ঘটনার জন্য যাত্রীদের কাছে দুঃখপ্রকাশও করেছে জেট এয়ারওয়েজ কর্তৃপক্ষ। ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকও। অবিলম্বে ডিজিসিএ-কে গোটা বিষয়টি নিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। সমস্ত রকম সাহায্যের আশ্বাসও দিয়েছে জেট এয়ারওয়েজ।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার মুম্বই থেকে জয়পুরের উদ্দেশে ওড়ার পরেই একের পর এক যাত্রীরা অসুস্থ হয়ে পড়তে থাকেন। দেখা যায়, বিমান ওড়ার পর ভেতরে বায়ুর চাপ ঠিক রাখতে যে বোতাম রয়েছে, সেটি টিপতে ভুলে গিয়েছেন জেট এয়ারওয়েজের কেবিন ক্রু–রা। ফলে বিমানের ভিতরে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয়। নাক–কান দিয়ে রক্ত বেরোতে থাকে যাত্রীদের। মুহূর্তে জরুরি অবতরণ করানো হয় বিমানটির। অল্পের জন্য রক্ষা পান বিমানের প্রায় ১৬৬ জন যাত্রী। বাকিদের প্রাথমিক শুশ্রুষার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও পাঁচজনকে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তাঁদের মধ্যে থেকেই এক ব্যক্তি এই ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 27
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~