খবর ২৪ ঘন্টা

বিপদ যখন “মুরগিতে” ~ ফর্মালিনে সংরক্ষিত মরা মুরগির মাংস ধরতে তৎপর পুরসভা…

শেয়ার করুন সকলের সাথে...

কলকাতাঃ নিজস্ব প্রতিনিধি~ রাস্তার পাশের ছোট দোকান হোক কিংবা বাজারের সস্তার হোটেল ৫০ টাকার চিকেন বিরিয়ানি বা ২৫ টাকার চিকেন রোল, হালফিলের চিকেন পপকর্ন, চিকেন হট উইংস বা গ্রিলড চিকেন, যা খাচ্ছেন তা সাস্থ‍্যকর তো?  ফর্মালিনে সংরক্ষিত মরা মুরগির মাংস নয়তো? শহরের আকাশে এখন সেই আশঙ্কা উঁকি ঝুঁকি দিচ্ছে। নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হয়েছে কলকাতা পুরসভার খাদ্য ভেজাল রোধ বিভাগ।


সোমবার থেকে শহরের ১৬টি বরোয় শুরু হয়েছে মুরগির মাংসের নমুনা সংগ্রহের কাজ। পুরসভা সূত্রে খবর, প্রতি বরোতে অন্তত দু’টি করে নমুনা সংগ্রহ করে এনে তা পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষায় যদি দেখা যায় রোগে আক্রান্ত মুরগি ফরমালিনে ডুবিয়ে তা বিক্রি করা হয়েছে তাহলে বাজেয়াপ্ত করা হবে ট্রেড লাইসেন্স। খাদ্য সুরক্ষা আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।


পুর অধিকারিকরা জানাচ্ছেন, ভেজাল জলের মতোই খাদ্য সুরক্ষা আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ফৌজদারী আইনের ২৭২ ও ২৭৩ ধারায় মামলা করার জন্য এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের কাছে আবেদন জানানো হবে। এছাড়া কোথাও পরীক্ষার নমুনায় ফরমালিনের উপস্থিতির প্রমাণ পেলেই খাদ্য সুরক্ষা আইনে মামলা করবে পুরসভা। যে মামলায় দোষী প্রমাণিত হলেই ছ’মাস থেকে যাবজ্জীবন জেল এমনকী মোটা আর্থিক জরিমানার সামনেও পড়তে হতে পারে দোষীকে।

কীভাবে সংরক্ষণ করা হয় মরা মুরগি?

প্রাণিসম্পদ দপ্তরের চিকিৎসকদের মতে, মুরগি মৃত্যুর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে।১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে এই রাসায়নিক ব্যবহারে শক্ত হয়ে যাচ্ছে মুরগির মাংস। তা পৌঁছে যাচ্ছে কলকাতার বিভিন্ন রেস্তরাঁয়। বাজারমূল্যও বেশ কম এই মরা মুরগির।

আইনি ব্যবস্থা:

২০০৬-এর ফুড সেফটি স্ট্যান্ডার্ড অ্যাক্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...