আজও বাঙালীর মননে চিন্তনে অমলিন নেতাজী……

শেয়ার করুন সকলের সাথে...

ওয়েব ডেস্কঃ  “তুমি তো আমাদের মত সোজা মানুষ নও, তুমি দেশের জন্য সমস্ত দিয়াছ,তাই তো দেশের খেয়াতরী তোমাকে বহিতে পারে না, সাঁতার দিয়া তোমাকে পদ্মা পার হইতে হয়”…  জীবনীভাষ্যে পরাধীন জাতির উজ্জীবনের শরিকির অর্ঘ্যে সুভাষচন্দ্র বোস…

Image result for নেতাজী জন্মদিন

উদ্যম জটাজালে যার নাম নিরন্তর উঠে এসেছে সেই ব্যক্তিত্ব দুর্গম পাহাড় পর্বত পেরিয়ে বিস্মৃতির অতীত গৌরবে কোথাও শৃঙ্খলা বদ্ধ হয়েছেন, অগণিত মানুষের মুক্তির মননে অতীন্দ্রিয় শক্তির বলে আবেগ, কৃতাঞ্জলিপুটে একসময়ে খুইয়ে নতুনের উন্মোচনীর বন্ধনী হয়ে তিনি সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী বীর নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু।

Related image

মহাযুদ্ধের পটে একাধারে মারণযজ্ঞ আর অপরপ্রান্তে আত্মপক্ষ জয়ের ঘটনা। লিপ্সা আর লিপ্সার সাথে হাত রেখে গণহত্যায় মাতৃগর্ভ কে শূন্য করে, আঘাতে- প্রত্যাঘাতে পঙ্গু দশাকে হত্যা তত্ত্ব হিসাবে ফলাও বিশ্ববাজার। কিন্তু সেই আঘাতের নিন্দা আর প্রতিবাদ সেই পরিবেশে সম্ভব ছিল না, যা ড: রাধা বিনোদ পালের হাত ধরে উঠে আসে। আজাদ হিন্দ ফৌজের ভারত গড়ার পরিসরকে তরান্বিত করতে তাঁর সমর্থন ছিল অনেকটাই মহাকালের প্রলয় ছেড়ে উত্থানের পথ।

Related image

কিন্তু এইখানে বাধ সাধল ভিন্নমতের ডিসেন্টিং রিপোর্ট। তবু অদম্য ব্যক্তিত্ব আর জনগণের শ্রদ্ধা ভালোবাসার প্রতিফলনের সঙ্গী ভোটবক্স। প্রতিফলনের শরিক করে ড: রাধাবিনোদের পালের উপর তদন্ত কমিশনের ভরসা জেগে উঠলেও রাজনীতি তাকে ব্রাত্য করে এগিয়ে চলল। তারপরই স্টেনোগ্রাফার শ্যামলাল জৈন খোসলা কমিশনে শপথ নিয়ে নেহেরুর চিঠির কথা ব্যক্ত করেন।
১৯৪৫ এর ক্লিমেন্ট অ্যাটলির চিঠির বয়ান,বিস্ফারণের প্রতিমূর্তি। কিন্তু সত্য তার ভ্রুকুটি ছেড়ে সামনে আসবেই, তাই হলো। শ্যমলাল জৈনের সাক্ষ্য মিথ্যা প্রমাণ সম্ভব ছিল না। প্রামাণিকের সাক্ষীগোপাল কে হবে? কারণ তখন পুড়ে গেছে বহু দলিল, নথি বিকৃতি, আর গুলির সামনে তাঁকে দাঁড় করাতে পারলেই মুনাফা। রাশিয়া আর মাঞ্চুরিয়া জাপ থেকে বহু তথ্য উঠে আসে। কিন্তু লুকোচুরির মুনাফা মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ ফল দিতে অসমর্থ। তাই আজও যে নথিপত্র উন্মুক্ত নয়,তাই তো তন্নতন্ন করে ছিন্ন অবয়বের চিহ্ন খুঁজে পেতে আজও অন্ধকারে নিমর্জন।

Related image
প্রশ্ন অনেক, রাজনৈতিক প্রেক্ষিত ঘিরে মারণযজ্ঞ, তবু সমাধি শুধু শতাব্দীর কর্ণধার। তাই স্মরণ আজ – ইতিহাসের পাতা ধরে গবেষণার অন্তর্জালে জগত। তবু আজও বলতে বাধা নেই তিনি যুদ্ধাপরাধী নন। চিতাভস্মে তিনি ছিলেন না, এ কথা আজও রন্ধ্রে রন্ধ্রে উঠে এসেছে। গুমনামী বাবা এক অজানা সন্ন্যাসী, আত্মগোপনকারী, তবু তাকে শত কোটি প্রণাম। তাঁকে সমাধির মোমবাতিতে নয়, সর্বত্যাগী কৃতজ্ঞতার যোগী স্বরূপে ” জয় হিন্দ”।

Related image

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...

Sponsored~

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.