মাওবাদী ও জঙ্গি হামলা উত্তপ্ত ছত্তিশগড়, কাশ্মীর

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 2
    Shares

 

মঙ্গলবার সকালে ২০৬ কোবরাবাহিনী এবং ডিআরজি জওয়ানরা রাতের টহল সেরে সুকমার চিন্তাগুম্ফা বেস ক্যাম্পে ফিরছিলেন। সেসময় আচমকা বিস্ফোরণ ঘটায় মাওবাদীরা। জখম হন মাড়বী সুক্কা নামে ওই জওয়ান। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলার মিনপা বনে। প্রসঙ্গত, কয়েক সপ্তাহ আগেই দান্তেওয়াড়া জেলার বাচেলিতে সিআইএসএফ–র বাসে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটায় মাওবাদীরা। জখম হন দুই জওয়ান। ওই জেলাতেই মাওবাদী হামলায় শহিদ হন এক সিআইএসএফ জওয়ান। এছাড়া আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছিল। এদিন প্রাথমিক ধাক্কা সামলিয়ে উঠে এলাকাজুড়ে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে সেনাবাহিনী। বিস্ফোরণের পরই মাওবাদীরা পালিয়ে গিয়েছে।
অন্যদিকে মঙ্গলবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল জম্মু–কাশ্মীর। দুই জেলায় সেনা–জঙ্গি সংঘর্ষে শহিদ হয়েছেন রাষ্ট্রীয় রাইফেল্‌সের এক জওয়ান। নিকেশ হয়েছে মোট তিন জঙ্গি। এদিন ভোরে প্রথম সংঘর্ষ শুরু হয় কুলগাম জেলার রেড়ওয়ানি এলাকায়। এলাকা ঘিরে ফেলে পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে গুলির লড়াই। সংঘর্ষে শহিদ হন আরআর বাহিনীর জওয়ান। নিকেশ হয়েছে দুই জঙ্গি। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে অস্ত্রশস্ত্র এবং গোলাগুলি।
রাষ্ট্রীয় রাইফেল্‌স, সিআরপিএফ–এর ১৬৩ ব্যাটেলিয়ন এবং রাজ্য পুলিসের বাহিনী তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় জঙ্গিরা তাদের উপর গুলি চালাতে শুরু করে। তৎক্ষণাৎ পাল্টা জবাব দেয় বাহিনী।
দ্বিতীয় অভিযান হয় পুলওয়ামা জেলার ত্রাল শহরের হাফু–রেশিপোরাতে। ওই এলাকায় জঙ্গি লুকিয়ে থাকার খবর, গোপন সূত্রে পেয়ে রাজ্য পুলিস এবং সেনাবাহিনী তল্লাশি চালিয়েছিল। দীর্ঘ গুলির লড়াইয়ের পর নিকেশ হয়েছে এক জঙ্গি। তার দেহও উদ্ধার করেছে বাহিনী। খতম হওয়া জঙ্গির পরিচয় এখনও জানা যায়নি। গোলাগুলি, কার্তুজ, অস্ত্রশস্ত্র সহ বেশ কিছু নথিপত্রও মৃতদেহের পাশ থেকে উদ্ধার করেছে বাহিনী। মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্য পুলিস।
বাহিনীকে এগোতে দেখে জঙ্গিরা গুলি চালালে পাল্টা গুলি চালায় বাহিনীও। সংঘর্ষ চলাকালীন ঘটনাস্থলে কোনও স্থানীয় বাসিন্দাকে না যেতে আবেদন করেছিল পুলিস।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 2
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~