মধ্যমগ্রামের ঘটনায় পাঁচ দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করল পুলিশ

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 31
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    31
    Shares

মধ্যমগ্রামের যুব তৃণমূল কংগ্রেসের দুই নেতা গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় পাঁচ দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। যদিও মুল অভিযুক্ত রাখাল নন্দী এখনও অধরা। মঙ্গলবারও এলাকা থমথমে। চলছে পুলিশের টহল। ধৃতদের আজ বারাসাত আদালতে তোলা হচ্ছে। সোমবারের ঘটনায় ঘুরিয়ে বিজেপিকেই দায়ী করেছেন মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন ঘোষ। তাঁর দাবি, ‘৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপি’র ভোট বেড়েছে। তৃণমুলের যুব সম্পাদক হিসাবে ওই এলাকায় সংগঠন দেখতেন বিনোদ । তাই তাকে মেরে ফেলার চক্রান্ত করা হয়।

তৃণমূল যুব নেতা রিঙ্কুকে খুন করার জন্য সুপারি দেওয়া হয়েছিল দিল্লির দুই সুপারি কিলারকে। বাচ্চু ওরফে সোমনাথ দত্ত ও প্রাণ সিংহকে সুপারি দেওয়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে শ্যামনগর থেকে সোমনাথ দত্ত ওরফে বাচ্চুকে প্রথমে গ্রেফতার করে পুলিস। তারপরই গ্রেফতার হয় দ্বিতীয় সুপারি কিলার প্রাণ সিংহ। এই দুজন ছাড়াও শুটআউটের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক নাবালক সহ আরও ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।

ধৃত ঈশ্বর ওঁরাও, অমিত হালদার ও ওই নাবালক, সবাই-ই শুটআউটকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত রাখালের সঙ্গী বলে জানা যাচ্ছে। প্রত্যেকেই রাখালের প্রোমোটিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সুপারি কিলার প্রাণ সিংহের বিরুদ্ধে হাইওয়ে থেকে গাড়ি ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, মাদক পাচার, এলাকার জমি দখল, বাজার থেকে তোলা আদায়ের পাশাপাশি মূল অভিযুক্ত রাখাল নন্দীর নামে খুনের মামলাও রয়েছে। ২০১০ ও ২০১২ সালের দুটো পুরনো খুনের মামলায় নাম রয়েছে রাখাল নন্দীর।

স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, তৃণমূল যুবনেতা রিঙ্কুর সঙ্গে একসময়ে খুবই ভালো সম্পর্ক ছিল রাখালের। তারা বন্ধু ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে মদের ঠেকে বচসাকে কেন্দ্র করে সেই বন্ধুত্বে চিড় ধরে। তারপর প্রোমোটিং ব্যবসাকে কেন্দ্র করে জল গড়ায় অনেকদূর। সম্প্রতি বাদুতে একটি জমি দখলকে কেন্দ্র করে বচসা চরমে উঠেছিল। এলাকায় রাখাল তৃণমূল কর্মী বলেই পরিচিত।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 31
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    31
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found