পর্যটনের প্রহসন উত্তরবঙ্গের কোচবিহারে

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 9
    Shares

উদ্বোধন হয়েছিল ঘটা করে। তারপর কিছুদিন পরেই মুখ থুবড়ে পড়ে কোচবিহারের মদন বাড়ির বৈরাগী দিঘির ‘আলো ছায়ার’ খেলা। কোটি টাকা নষ্ট হওয়ার পেছনে কোন যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না। বিদ্যুৎ বিল কে মেটাবে, শুধুমাত্র সেই সিদ্ধান্ত না হওয়ায় বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্প, দীঘিকে কেন্দ্র করে এমনই পরিকল্পনা নেয়া হয়েছিল গত বছর নভেম্বরে। নানা রঙের ফোয়ারার জলে ভেসে উঠতো মদনমোহন এর ছবি সঙ্গে চল তো কোচবিহারের মহারাজা দের কোন দেবতা কে নিয়ে ভক্তি কথা। গৌতম দেব যখন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী ছিলেন তখন রঙিন ফোয়ারা র কথা ভাবা হয়, পরে হাত বদল হয় দপ্তরের, নতুন মন্ত্রী হন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, দুই মন্ত্রী মিলে ঘটা করে উদ্বোধন করেছিলেন প্রকল্পের। উদ্বোধনের পর এক সপ্তাহ না কাটতেই বন্ধ হয়ে যায় মদনমোহন মন্দিরের বৈরাগী দিঘির ফোয়ারা। রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব বলেন ‘ওখানে চালু করার পরে ফোয়ারা বন্ধ হয়ে থাকার খবর আমি পেয়েছি। শুনেছি কে বিদ্যুতের বিল মেটাবে তা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে কিছু বরাদ্দ টাকাও ফেরত গিয়েছে বিষয়টি ভালো করে খোঁজ নেব ফোয়ারা আবার চালু করার ব্যাপারে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলবো’। জানা গিয়েছে বরাত পাওয়া সংস্থা প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ বসালেও বিদ্যুৎ বিল কে মেটাবে,তাই নিয়ে হচ্ছে টানাপোড়েন।

1889 এ কোচবিহারের মহারাজা নৃপেন্দ্র নারায়ন বৈরাগী দিঘির পারে কুলদেবতা মদন মোহনের মন্দির স্থাপন করেন। এই দীঘির পাড়ে প্রথম রাস মেলা বসে কোচবিহারে। সেই কারণে মদন মোহন মন্দিরের মত ওই দীঘির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রাজ আমলের ইতিহাস অবহেলায় পড়ে থাকা দিঘির রুপ টানে রাজ্য সরকার চেষ্টা করলেও বাস্তবে অর্থ অপচয় ছাড়া আর কিছুই হয়নি বলে অভিযোগ। সরকারি কোষাগারের টাকা অপচয় এর সঙ্গে আরো কালো হয়েছে বৈরাগী দীঘির জল।

Facebook Comments


শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 9
    Shares

খবর ২৪ ঘন্টা

খবর এক নজরে…

No comments found