মাউন্ট ফুজির উদগীরণে চাপা পড়তে পারে টোকিও: সমীক্ষা

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 52
    Shares

ওয়েব ডেস্ক~ জাপানের ১১০টি আগ্নেয়গিরির মধ্যে ৪৭টিকে সক্রিয় বলে ধরা হয়ে থাকে। এগুলো ১০ হাজার বছর ধরে সক্রিয় অথবা গ্যাস নির্গমন করে আসছে। জাপানের ইতিহাস বলছে প্রতি ৩৮ বছরের মধ্যে বড় ধরনের অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে থাকে। ১৫টি আগ্নেয়গিরি প্রতিবছরই অগ্ন্যুৎপাত ঘটাচ্ছে। জাপানের সবচেয়ে উঁচু আগ্নেয়গিরি মাউন্ট ফুজি যার উচ্চতা ১২ হাজার ৩৮০ ফুট ভূমিকম্পের সময় সাড়া দেওয়ার বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে বিশেষজ্ঞদের। টোকিও শহর থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে মাউন্ট ফুজির অগ্ন্যুৎপাতে পুরো টোকিও শহর ছাইয়ের নিচে চাপা পড়তে পারে।

তোহোকু অঞ্চলের ভূমিকম্পের সময় মাটির স্তর সরে গেছে অনেকখানি। জাপানে এ নিয়ে আপাতত চিন্তা বাড়ছে৷ এই ভূমিকম্পের সবচেয়ে বড় আতঙ্ক ছিল ১১০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি, তার মধ্যে ২০টি নড়েচড়ে ওঠে। এসব আগ্নেয়গিরি ‘সিসমিক অ্যাকটিভিটি’ বলে দেয় আসন্ন বিপদের কথা। ভূমিকম্পের সময় জিএমএ বা জাপান মেট্রোলজিক্যাল এজেন্সি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি এই সক্রিয়তা বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করে।

সমীক্ষা বলছে মাউন্ট ফুজির ম্যাগমা চেম্বারের চাপ বেড়ে উদ্বেগজনক ১.৬ মেগাপ্যাসকালে দাঁড়িয়েছে। মনে করা হচ্ছে শেষবার অগ্ন্যুৎপাতের সময় ম্যাগমা চেম্বারের চাপ এর চাইতে কম ছিলো। রিউকিউ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মাসাকি কিমুরা এই খবরের সত্যতা স্বীকার করেছেন৷
১৭০৭ সালে মাউন্ট ফুজির সর্বশেষ উদ্গিরণের এক মাস আগে ওসাকার নিকট একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়৷ অধ্যাপক কিমুরা মনে করেন তোহোকু ভূমিকম্প আগ্নেয়গিরিটির স্বাভাবিক সিসমিক চলনকে বাড়িয়ে দিয়েছে, যা চিন্তার৷ তিনি বলেন, মাউন্ট ফুজির নীচে ম্যাগমা বাড়ছে। ভূ-ত্বকে ফাটলের পরিমান বাড়ছে। সবকিছু ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে।

তবে মনে করা হচ্ছে মাউন্ট ফুজির উদ্গিরণের ঘটনা ঘটলে প্রাণহানির ঘটনা খুব বেশি হবেনা। কারণ হিসেবে মনে করা হয় লাভার গতি হবে শ্লথ৷ তবে জীবনহানির সংখ্যা কম হলেও মাউন্ট ফুজির উদ্গিরণে সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হবে প্রচুর৷

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 52
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.