সৌজন্য আর পবিত্রতার মোড়কে ~ আজ মহরম….


শেয়ার করুন সকলের সাথে~

উৎসবের নিকেতনে আরো এক পবিত্র দিনের আলাপ। তবে দিনের বিশিষ্টতায় ভাবব বলেই তো আজকের আয়োজন আমাদের। আর সেখানে মহরম আজ অলঙ্ঘনীয় পবিত্র কলমে আরবী বর্ষপঞ্জী স্মরণ।তবে শব্দটির উৎপত্তি সম্বন্ধে জানতে হবে তো? আসুন তবে প্রাথমিক ভাবে জেনেনি।

আরবী বর্ষপঞ্জীর প্রথম মাস মহরম মাস। মহাররম মাসের দশম তারিখ আশুরা নামে সু-পরিচিত। আরবী আশারা শব্দ থেকে আশুরার “উৎপত্তি। এই মাসেই রয়ে গৌরব গাথা ঐতিহ্যের স্মৃতিসাধন।

তবে বিষয়ের গভীরে যাবনা তা তো হয় না। তবে পবিত্র “কুর আন ” কি বলে?
মহররম হিজরী বছরের প্রথম মাস।এ মাসের কথা উল্লেখ রয়েছে পবিত্র কুরআনে। মহাগ্রন্থ আল কুরআনে সূরা তাওবার ৩৬ নং আয়াতে বর্ণিত যেমাসগুলোতে যুদ্ধ-বিগ্রহ হারাম করা হয়েছে তার মধ্যে মহররম অন্যতম ।

পবিত্র কুরআনে আরবী ১২ মাসের মধ্যে মহরম, রজব, জিলক্বদ ও জিলহজ্জ মাসকে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয়েছে এবং কুরআনের জীবন্ত ব্যাখ্যা গ্রন্থ অর্থ্যাৎ বিভিন্ন হাদিস শরীফে এ মাসগুলোর স্বতন্ত্র বর্ননা করা হয়েছে ।

তবে এ ঘটনা আমাদের কি সুখের আবেশ দেয়? না,
আশুরা ও মুহররম শব্দদ্বয় শ্রবণের সাথে সাথে আমাদের সামনে আসে ভয়ংকর, বীভৎস, নিষ্ঠুর, নির্মম ও ইসলামের ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক ঘটনা।
তবে ইতিহাস কি বলবে,
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নয়নের পুতুলী, কলিজার টুকরা, খাতুনে জান্নাত নবীনন্দিনী হযরত ফাতেমা (রাঃ) এর আদরের দুলাল হযরত হোসাইনের কারবালার প্রান্তরে শাহাদাতের মর্মন্তুদ ঘটনা; যা এ পৃথিবীর এক করুণ ইতিহাস ।

এ ইতিহাস কি আমাদের শিক্ষা দেয়, হিংসা? না, শিক্ষা দেয় ত্যাগের –

মর্সিয়া কিংবা ক্রন্দন নয় বরং ত্যাগ চাই।এ যুদ্ধ সত্য এবং মিথ্যার দ্বন্ধের অবসান ঘটানোর  ইতিবৃত্ত।নাটকীয় ঘটনা, তবু হিংসার আবেশ নয়, দ্বন্দ্ব ছেড়ে উওরণের শান্তির বাণী “মহরম “।

শেয়ার করুন সকলের সাথে~

Leave a Reply