এখনও জ্বলছে বাগরি মার্কেট, কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা…..

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 80
    Shares

বাগরি মার্কেটে আগুন জ্বলছে এখনও৷ ১০ ঘন্টা পরে মার্কেটের ভিতরে ঢুকতে পারেন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার ও দমকল কর্মীরা৷ প্রচুর দাহ্যবস্তু মজুত থাকায় আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত৷ ভিতরে ঢুকতে পারায় আপাতত আগুনের উৎস খুঁজতে সুবিধা হবে বলে মনে করছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই এসি মেশিন, কম্পিউটারের মতো বৈদ্যুতিন যন্ত্রপাতি বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠতে থাকে এলাকা। বাড়িটির দেওয়ালে ফাটল ধরে গিয়েছে। সেই ফাটল থেকে কালো ধোঁয়া বেরতে দেখা যায়। লোহার রড, চাঙড় খসে পড়তে থাকায় স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অনেকেই প্রার্থনা শুরু করেন। দমকলের সঙ্গে সহায়তায় নামেন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ব্যবসায়ীরাও। প্রায় ৪০০টি দোকান ভস্মীভূত। প্রথমে একজনের জখম হওয়ার খবর মিললেও পরে রাজীব কুমার জানিয়ে দেন অগ্নিকাণ্ডে কোনও হতাহতের খবর নেই।
রবিবার ভোররাত আড়াইটে নাগাদ আগুন লাগে ক্যানিং স্ট্রিটের বাগরি মার্কেটে। প্রসাধনী, প্লাস্টিকের জিনিস এবং ওষুধপত্রের জন্য বিশেষ পরিচিত বাগরি মার্কেট পুজোর মুখে জিনিসপত্রে ঠাসা ছিল। প্রচুর দাহ্য বস্তু মজুত থাকায় আগুন ৬ তলা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৩০টি ইঞ্জিন। দমকল দেরিতে আসা এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে জল না থাকায় আগুন নেভাতে সমস্যা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। তবে আগুন লাগার ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দোষারোপ করেন দমকলমন্ত্রী তথা মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়৷ তাঁর মনে হয় দোকান মালিকরা যদি পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করতেন তাহলে এত বড় ঘটনা ঘটত না। কিন্তু কিছু ব্যবসায়ীর দাবি প্রতিটি তলাতেই ফায়ার অ্যালার্ম ছিল। মন্ত্রী বলেন, আগুন নেভানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা বাজারে ছিল না। বেশ কয়েকবার এখানে এসে পরিস্থিতি দেখে গিয়েছে কলকাতা পুরসভা৷ দোকান মালিকদের ব্যবস্থা নিতে অনুরোধও করেছি। গত মাসেও বৈঠক হয়েছিল। তবু তেমন কোনও ব্যবস্থা হয়নি।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 80
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~