খবর ২৪ ঘন্টা

ফের কোপ দেশের মধ্যবিত্তের পকেটে, চিন্তা বাড়ল মোদী সরকারের…

শেয়ার করুন সকলের সাথে...

ওয়েব ডেস্কঃ নাভিশ্বাস মানুষের৷ বিশেষত সাধারণ মানুষের৷ জ্বালানি তেল, গ্যাসের পর এবার শাক সব্জির দর আকাশছোঁয়া৷ তবে এর পিছনেও রয়েছে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কোপ৷ তেলের দাম বৃদ্ধির ধাক্কা পড়েছে এবার পাইকারি মূল্য সূচকেও। যা গত ১৪ মাসে সর্বোচ্চ। মে মাসে পাইকারি মূল্য সূচকের বৃদ্ধি ছিল ৪.৪৩ শতাংশ। গতবছরের মে মাসে যা ছিল ২.২৬ শতাংশ। আর এবছরের এপ্রিলে যা ছিল ৩.১৮ শতাংশ। জ্বালানি ছাড়াও এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে সবজি থেকে ফল সবকিছুর ওপরেই।

এবছরের মে-তে সবজির মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ ছিল ২.৫১ শতাংশ। ঠিক আগের মাসেই যা ছিল (-)০.৮৯ শতাংশে। মে মাসে জ্বালানি ও শক্তির মিলিতভাবে মুদ্রাস্ফীতির হয়েছে ১১.২২ শতাংশ। যা মে মাসে ছিল ৭.৮৫ শতাংশে। মে মাসে আলুর মুদ্রাস্ফীতি ছিল একেবারে শীর্ষে ৮১.৯৩ শতাংশ। আর এপ্রিলে যা ছিল ৬৭.৯৪ শতাংশ।
যতই দাম বাড়ুক, দেশে জ্বালানির চাহিদা কিন্তু সব সময়ই প্রবল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অ্যালফন্স কোন্নানথানম জানিয়েছিলেন, যাঁরা গাড়ি কিনতে পারেন তাঁরা জ্বালানির খরচও বহন করতে পারবেন। কিন্তু এই ব্যাখ্যা কোনও মতেই ঠিক নয়। শুধুমাত্র ব্যক্তি মালিকানার গাড়ির মালিকরাই জ্বালানি ব্যবহার করেন না, খাদ্যশস্য থেকে সবজি সব কিছুরই পরিবহণের জন্য জ্বালানির প্রয়োজন রয়েছে। শহরাঞ্চলের বিভিন্ন ছোট-বড় ব্যবসায় জ্বালানি দরকার হয়। বলতে গেলে, জ্বালানি কিন্তু এ দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। তাই জ্বালানির ওপর কোপ পড়লে, টান পড়ে পাইকারি বাজারে৷ এ সবের মধ্যে ভুগতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। কোনও বিকল্প উপায় না থাকায় মোটা টাকার বিনিময় জ্বালানি ক্রয় করতে হচ্ছে। অন্যদিকে, এই সময়ে ফলের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে ১৫.৪০ শতাংশ। কিন্তু ডালের মূল্যহ্রাস হয়েছে ২১.১৩ শতাংশ।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...