চলে গেলেন ‘পদাতিক’ মৃণাল সেন

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 5
    Shares

‘একদিন প্রতিদিন’ নয়, সারাজীবনের জন্য চলে গেলেন ‘ভুবন সোম’৷ ‘পদাতিক’ মৃণাল সেনের জন্য আজ শহর শোকস্তব্ধ৷ বছর শেষে চলচ্চিত্র জগতে নক্ষত্রপতন। মারা গেলেন বিশ্ববরেন্য চলচ্চিত্র পরিচালক মৃণাল সেন।


ভারতীয় চলচ্চিত্রের নিউ ওয়েভ সিনেমার পুরোধা ছিলেন তিনি। আজীবন বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। ‌যুক্ত ছিলেন ইন্ডিয়ান পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে। ১৯৫৫ সালে রাত ভোর সিনেমা দিয়েই চলচ্চিত্র জগতে আত্মপ্রকাশ পরিচালক মৃণাল সেনের। এই সিনেমাতেই অভিনয় করেছিলেন উত্তম কুমার। যদিও তিনি তখন সুপারস্টার উত্তম হয়ে ওঠেননি।


এরপর নীল আকাশের নীচে (‌ ১৯৬৯ সালে ভুবন সোম, পদাতিক(‌১৯৭৪)‌, একদিন প্রতিদিন(১৯৭৯)‌‌, বাইশে শ্রাবণ(‌১৯৬০)‌ তাঁর একাধিক বিখ্যাত ছবির মধ্যে কয়েকটি।ভুবন সোম তাঁকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে গিয়েছিল। একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন তাঁর পরিচালিত সিনেমা। ১৬টি ছবির জন্য পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। আকালের সন্ধানে সিনেমার জন্য পেয়েছিলেন ফিল্ম ফেয়ার লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড। ১৯৮১ সালে পেয়েছিলেন পদ্মভূষণ। ১৯৯৯ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ভারতীয় সংসদে সাম্মানিক সদস্যপদে ছিলেন তিনি। আজীবন বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য পদ নেননি তিনি।
দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। শনিবার রাতে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছিল তাঁর। চিকিৎসক আসার আগেই মৃত্যু হয়। বিশ্ববরেণ্য এই চলচ্চিত্র পরিচালকের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। টুইট বার্তায় তিনি লেখেন, ‘‌হঠাৎ এই প্রয়াণে আমি শোকস্তব্ধ। চলচ্চিত্র জগতের কাছে মৃণাল সেনের প্রয়াণ সবচেয়ে বড় ক্ষতি। আমি তাঁর পরিবারকে সমবেদনা জানাই।’‌ সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি টুইটে লেখেন, ‘‌মৃণাল সেনের প্রয়াণ শুধুমাত্র সিনেমা জগতের ক্ষতি নয়, বিশ্বের সংস্কৃতি এবং ভারতীয় সভ্যতার মূল্যবোধের ক্ষতি। তাঁর প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর মানুষের জীবনের বাস্তবতা নিয়ে করা সিনেমা সমাজের কাছে শিক্ষনীয়।’‌
অন্যদিকে চলচ্চিত্র পরিচালক মৃণাল সেনের প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন করেছেন দেশের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 5
    Shares

খবর ২৪ ঘন্টা

খবর এক নজরে…

No comments found