বুরারি কাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যুই দড়িতে ঝুলে…

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 30
    Shares

ওয়েবডেস্কঃ সামনে এল উত্তর দিল্লির বুরারিতে একই পরিবারের রহস্যমৃত্যুর ময়নাতদন্ত রিপোর্ট৷ এই ঘটনায় ১১ জনের মধ্যে ১০ জনেরই মৃত্যু হয়েছে দড়িতে ঝুলে৷ ময়নাতদন্ত রিপোর্ট অন্তত তেমনই বলছে৷ এদের কারোর শরীরেই বিষপ্রয়োগের কোনও লক্ষ্মণ পাওয়া যায়নি৷ চিহ্ন নেই ধস্তাধস্তিরও৷
তবে এখনও ১১ নম্বর মৃত সবচেয়ে প্রবীণ নারায়ণী দেবীর ময়নাতদন্ত হাতে আসেনি পুলিশের৷ তার দেহ মাটিতে শোয়ানো অবস্থায় উদ্ধার হয়৷ ফলে তাঁরও দড়িতে ঝুলে মৃত্যু হয়েছে কিনা, তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে৷
তবে আত্মীয়রা অবশ্য অভিযোগ করছেন, এই ১১ জনকে খুন করা হয়েছে। তাঁরা এই ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। ১১ জনেরই চক্ষুদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আত্মীয়রা। কেতন নাগপাল নামে এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, ‘মৃতদের মধ্যে আমার দিদিমাও ছিলেন। এই পরিবারের কোনও আর্থিক সমস্যা ছিল না। তাঁরা কোনও ঋণ নেননি। সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। তাঁরা কেন আত্মহত্যা করতে যাবেন? এই পরিবারের সবাই শিক্ষিত ছিলেন। তাঁরা কেউই কুসংস্কারাচ্ছন্ন ছিলেন না।’
মৃতদের অপর এক আত্মীয় বলেছেন, ‘মৃত্যুর আগের রাতেও আমার সঙ্গে এই পরিবারের লোকজনের কথা হয়েছিল। কোনওরকম হতাশার ইঙ্গিত পাইনি। সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। এই পরিবারের সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল না। তবে আমাদের সন্দেহ, কেউ তাঁদের খুন করেছে।’
এর আগে, দিল্লির বুরারি কাণ্ডে তান্ত্রিক যোগের প্রমাণ পান তদন্তকারীরা৷ কেননা তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ বেশ কিছু ডায়েরি উদ্ধার করে৷ যেখানে তন্ত্র মন্ত্রের ব্যাপারে অনেক কিছু লেখা আছে৷ ডায়েরিগুলি নারায়ণী দেবীর ছোট ছেলে ললিতের৷
তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে তন্ত্রসাধনা করতেন৷ তাঁর উপর নাকি স্বর্গীয় বাবা ‘ভর’ করতেন৷ তিনি ললিতকে মোক্ষলাভের উপায় বলে দিতেন৷ এমন অনেক কিছু কথা লেখা আছে ডায়েরিতে৷ ললিত ছাড়াও আরও একজনের হাতের লেখা পাওয়া গিয়েছে সেখানে৷ তিনি হলেন প্রিয়াঙ্কা৷ যার ১৭ জুন বাগদান হয় এক ব্যবসায়ী বাড়ির ছেলের সঙ্গে৷

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 30
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~