ওপেক থেকে বেরিয়ে গেল কাতার

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 33
    Shares

৬ ডিসেম্বর বৈঠকে বসছে ওপেক। ওপেক গোষ্ঠীভুক্ত দেশ না হয়েও সম্ভবত তাতে থাকবে রাশিয়া। বৈঠকে সম্ভবত তেলের উৎপাদন কমিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত হবে। তেলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য গত অক্টোবর মাস থেকে দাম কমাতে হয়েছে আগের থেকে প্রায় এক তৃতীয়াংশ। ওপেকের বৈঠকে সম্ভবত দৈনিক ১০ থেকে ১৪ লক্ষ ব্যারেল তেল উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে সবচেয়ে বেশি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করে থাকে কাতার। সেই দেশ ২০১৯ সালে ১ জানুয়ারিতে তেল রপ্তানিকারী দেশগুলির জোট, অর্গানাইজেশন অব পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ অর্থাৎ ওপেক থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। সোমবার সেদেশের শক্তি সরবরাহমন্ত্রী সাদ অল কাবি একথা ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, ‘‌আমাদের দেশ আন্তর্জাতিক বাজারে প্রভাব বাড়াতে চায়। দীর্ঘস্থায়ী পরিকল্পনার অঙ্গ হিসাবে আমরা ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’‌
চীন–আমেরিকার বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে রীতিমতো উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছিল। আশঙ্কা করা হচ্ছিল, এর ফলে অর্থনীতির বিকাশের হার ধীর হয়ে যেতে পারে। কিন্তু দুই দেশের মধ্যে বোঝাপড়া হওয়ার পরে বাজার চাঙ্গা হয়ে যায়। তার ফলে তেলেরও দাম বাড়ে ব্যারেল পিছু ২.৮৯ ডলার।‌‌
কাতার দৈনিক ৬ লক্ষ ব্যারেল তেল উৎপাদন করে। পশ্চিম এশিয়ার এই ছোট্ট দেশটির সঙ্গে সৌদি আরবের শত্রুতা আছে। এদিকে ওপেক গোষ্ঠীভূক্ত দেশগুলির নেতা কার্যত সৌদি আরব। আবার গত অক্টোবরে রাশিয়া দিনে ১ কোটি ১৪ লক্ষ ১০ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন করত। সোভিয়েত আমলের পরে আর কখনও রাশিয়া দৈনিক এত তেল উত্তোলন করেনি। নভেম্বরে রাশিয়া উত্তোলন করেছে ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৭০ হাজার গ্যালন তেল। অর্থাৎ তারা তেল উত্তোলন কমিয়েছে। কিন্তু আমেরিকার তেল সংস্থাগুলি অবশ্য কমায়নি। তারা দিনে ১ কোটি ১৫ লক্ষ ব্যারেল তেল উৎপাদন করে চলেছে। ২০১৯ সালে আমেরিকার তেল উত্তোলন আরও বাড়তে পারে।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 33
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~