রাজ্যের দায়িত্বে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা? চিন্তায় কাশ্মীর

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 34
    Shares

বিজেপির সমর্থনে কাশ্মীরে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসতে পারেন প্রাক্তন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সাজ্জাদ লোন। সাজ্জাদের বাবা আবদুল গনি লোনও বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ছিলেন। ২০০২ সালে আততায়ীর গুলিতে মৃত্যু হয় তাঁর।
চলতি বছরের জুন মাসে কাশ্মীরে মেহবুবা সরকারের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে বিজেপি। তারপরেই কাশ্মীরে গিয়ে লোনের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপির কাশ্মীরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা রাম মাধব। এরপর বেশ কয়েকবার কাশ্মীর গিয়েছেন মাধব এবং প্রত্যেকবারই পিপলস কনফারেন্সের নেতা লোনের সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। আর তাতেই এই সম্ভাবনা প্রকট হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের মার্চে কাশ্মীর বিধানসভার নির্বাচনের ডাক দিতে পারে বিজেপি এবং নির্বাচনের আগেই লোনের দলের সঙ্গে সমঝোতার ঘোষণা করে দিতে পারে বিজেপি। তখন লোনকেই মুখ্যমন্ত্রীর মুখ করে এগোবে বিজেপি। বিচ্ছিন্নতাবাদী হয়ে কাশ্মীরের স্বাধীনতা দাবি করে রাজনীতিতে আসা লোনই এখন এই রাজ্যে বিজেপির প্রধান মুখ হতে চলেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, গত কয়েক মাস ধরেই লোনের সঙ্গে বিজেপি নেতাদের সখ্যতা ক্রমশ বেড়েছে। সম্প্রতি শ্রীনগর পুরসভার মেয়রের পদেও জিতেছে পিপলস কনফারেন্স। তখন লোনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ফোন করেন মাধব। যদিও বিজেপি এবং লোনের দল পিপলস কনফারেন্সের সঙ্গে জোট হয়ও তা হলেও এই জোট ক্ষমতা দখল করতে পারবে না। কারণ এই মুহূর্তে রাজ্যে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ২৫। লোনের দলের বিধায়ক সংখ্যা ২। পাশাপাশি মেহবুবার পিডিপির বিদ্রোহীদের যদি জোটে শামিল করানো যায়ও তা হলেও ম্যাজিক ফিগার ৪৪ বিজেপি পৌঁছতে পারবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।
তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে রাজনীতিতে কেউ চিরশত্রু নয়, কথাটা যে কতটা বাস্তব সত্য তা বিজেপি’‌র সিদ্ধান্ত থেকেই বোঝা যায়।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 34
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~