গত ১২ বছরে মারা গিয়েছে ৭৫টি বাঘ!

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 20
    Shares

রবিবার মহারাষ্ট্রের ভান্ডারা জেলার উমরেদ–পাওনি–কারহান্ডলা বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ প্রকল্পে একটি সাদা বাঘের মৃতদেহ মিলল। পেঞ্চ ব্যাঘ্র প্রকল্পের ফিল্ড ডিরেক্টর রবিকিরণ গোভেকর জানিয়েছেন, এদিন সকাল আটটা নাগাদ প্রকল্পে ঘুরতে যাওয়া পর্যটকদের দল পাওনি রেঞ্জের জঙ্গলে একটি বাঘকে নিথর শুয়ে থাকতে দেখে ফিরে গিয়ে বনকর্মীদের জানান। এরপরই বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাঘের মৃতদেহ উদ্ধার করে। কীভাবে বাঘটির মৃত্যু হয়েছে তা জানতে তার দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। গত ১২ বছরে ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার সিমলাপাল ব্যাঘ্র সংরক্ষণ প্রকল্পে হত্যা করা হয়েছে ৭৫টি বাঘকে। ওড়িশা সরকারের ২০১৬ সালে করা বাঘ সুমারিতে এই তথ্যই জানা গিয়েছে। বাঘের পায়ের ছাপ এবং ক্যামেরায় তোলা ছবির মাধ্যমে সুমারি করা হয়েছিল। ওড়িশার বন্যপ্রাণ সংগঠন বা ডব্লুএসও বলেছে, ২০০৬ সালে সিমলাপালে ১০১টা বাঘ ছিল। কিন্তু লাগাতার চোরাশিকারের ফলে সেই সংখ্যা নেমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২৮–এ। মহারাষ্ট্রের নাগপুর এবং ভান্ডারা জেলাজুড়ে ছড়ানো উমরেদ–পাওনি–কারহান্ডলা বন্যপ্রাণ প্রকল্প ছাড়াও মহারাষ্ট্রে মোট ছয়টি ব্যাঘ্র প্রকল্প আছে, যেখানে ১৬৫টি বাঘ রয়েছে বলে জানিয়েছে বন দপ্তর। ডব্লুএসও–র সচিব বিশ্বজিৎ মোহান্তি বলেছেন, ‘‌এটা মোটেও ভালো খবর নয়। কারণ সিমলাপাল ব্যাঘ্র প্রকল্পে বাঘদের সংরক্ষণে প্রতি বছর কয়েক কোটি টাকা ব্যয় হয়। কেন্দ্রের থেকেই প্রতি বছর পাঁচ থেকে ছয় কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয় বাঘ সংরক্ষণে। গত ১২ বছরে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার ১০০ কোটি টাকার উপর খরচ করেছে বাঘেদের সুরক্ষায়। অথচ বর্তমানে চোরাশিকার আরও বেড়ে গিয়েছে। এর দায় কে নেবে?‌’‌ প্রসঙ্গত, সিমলাপালই একমাত্র জঙ্গল যেখানে কালো বাঘ পাওয়া যায় এবং সারা বিশ্বের মধ্যে মেলানিস্টিক বাঘেদের একমাত্র ঘর।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 20
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~