খবর ২৪ ঘন্টা

“আপনি কেন এসেছেন এখানে”— বিমান বসুর উদ্দেশ্যে বললেন সোমনাথ পুত্র প্রতাপ চট্টোপাধ্যায়

শেয়ার করুন সকলের সাথে...

দল এবং তার মধ‍্যে ‘মান-অভিমানের ‘ পালা শুরু হয়েছিল পরমানু চুক্তিকে ঘীরে দেশের সংবিধানকে যখন তিনি দলীয় সংবিধানের উপর স্থান দিয়েছিলেন।তারপর বিভিন্ন সময়ে তিনি বলেছেন তিনি দলকে ছেড়ে যাননি  উল্টে দলই তাকে দূরে ঠেলে দিয়েছে।পরমানু চুক্তিকে ঘীরে তৈরি হওয়া বিতর্কের জেরে তাকে সাসপেন্ড করেছিল দল। পার্টি তাকে বহিষ্কার করলেও পার্টির সাধারণ সদস‍্য সমর্থকরা তাকে স্থান দিয়েছিলেন মনের মনিকোঠায়।
সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়  ১০বার সিপিএম সাংসদ ছিলেন।৪০ বছর সিপিএমের সদস্য ছিলেন তিনি।  দলের বিভিন্ন মহল থেকে সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি উঠলেও সিপিএম পলিটব‍্যুরো তা কানে দেননি। সেই আচারণে তাঁর পরিবার যে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ সেকথার বারবার প্রমাণ মিলল আজ ও। পারিবারিক আপত্তির জেরে আলিমুদ্দিনে নিয়ে যাওয়া হল না প্রয়াত সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের দেহ। সূর্যকান্ত মিশ্র,সুজন চক্রবর্তীকে পরিবারের তরফ থেকে জানানো হয় আলিমুদ্দিনে তার দেহ নিয়ে যাওয়া হবে না এবং লাল পতাকাতে ও মোড়ানো হবে না তার মরদেহ।সেইজন‍্যই মোহনবাগানের পতাকায় মুড়ে ফেলা হয় তার মরদেহ। বিকেলের দিকে যখন সীতারাম ইয়েচুরি এবং বিমান বসু ,সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের বসন্ত রায় রোডের বাড়িতে যান তখন দৃশ‍্যতই ক্ষুদ্ধ সোমনাথ পুত্র প্রতাপ চট্টোপাধ্যায় ,বিমান বসুকে উদ্দেশ্যে করে বলেন “আপনি কেন এসেছেন এখানে? হি ইজ নট ওয়েলকাম হিয়ার”। সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত‍্যুর পরেও প্রায় ৫ ঘন্টা বাদে পলিটব‍্যুরোর তরফ থেকে শোকজ্ঞাপন করা হয়।যা আর ও উস্কে দিয়েছে বিতর্ক। হাসপাতাল থেকে সরাসরি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় দীর্ঘকালের কর্মভূমি কলকাতা হাইকোর্টে। সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত‍্যু ঘীরে নানা ঘটনায় বাংলার সিপিএমের অস্বস্তি বাড়ল ছাড়া কমল না।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...