প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরলেন মহিন্দ্রা রাজাপাক্ষে? টালমাটাল শ্রীলঙ্কা

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 30
    Shares

রাজনৈতিক অচলাবস্থা শ্রীলঙ্কায়৷ মহেন্দ্র রাজাপক্ষে ২০০৫ সাল থেকে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তাঁর আমলে এলটিটিই জঙ্গিদের দমন করা হয়। তখন মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। এছাড়া রাজাপক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও ছিল। ২০১৫ সালে রাজাপক্ষের ঘনিষ্ঠ মৈত্রীপাল শ্রীসেন শিবির বদল করে জোট বাঁধেন রনিল বিক্রমসিংহের সঙ্গে। রাজাপক্ষে ভোটে পরাজিত হন। মৈত্রীপাল হন প্রেসিডেন্ট। বিক্রমসিংহে হন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, মৈত্রীপাল কেবল চীনের নানা কোম্পানিকে সরকারি কাজের বরাত দিতে চাইতেন। তার প্রতিবাদ করতেন বিক্রমসিংহে। গত ২৬ অক্টোবর প্রেসিডেন্ট আচমকা বিক্রমসিংহেকে বরখাস্ত করেন। পুরো মন্ত্রিসভাকেই বরখাস্ত করে দেওয়া হয়। তাঁর জায়গায় প্রধানমন্ত্রী হন রাজাপক্ষে। তড়িঘড়ি শপথও নিয়ে ফেলেন তিনি। তখনই অসন্তোষ ঘনিয়ে ওঠে। গত শুক্রবার প্রেসিডেন্ট সংসদ ভেঙে দেন। নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেন, ৫ জানুয়ারি ভোট করাতে হবে নতুন করে।
এমন ঘটনার পর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ফের বসেছে সংসদের অধিবেশন। ২২৫ জন সাংসদের বেশিরভাগ জানিয়ে দেন রাজাপক্ষের প্রতি তাঁদের আস্থা নেই। সংসদে বিক্রমসিংহের দল এখন সংখ্যাগরিষ্ঠ। কিন্তু রাজাপক্ষে অপসারিত হলেই তিনি যে ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন এমন কথা নেই। এখন দেখার এই পরিস্থিতিতে সেতুবন্ধন করা যায় কিনা। তাতেই প্রশ্ন উঠছে, পরের প্রধানমন্ত্রীও প্রেসিডেন্টের পছন্দের লোক হবে না, তার নিশ্চয়তা কোথায়?‌ বেশিরভাগ সাংসদ যদি প্রেসিডেন্টের বিরোধী হন তাহলে পরের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিও ফের অনাস্থা নিয়ে আসবেন না তার নিশ্চয়তাই বা কোথায়? কিন্তু পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী মনোনয়নের অধিকার থাকছে প্রেসিডেন্টের হাতেই।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 30
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~