ভাদু উৎসবে মেতেছে পুরুলিয়া….

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 16
    Shares

ভাদ্র মাসের সংক্রান্তিতে পুরুলিয়ার গ্রামের পর গ্রাম মেতে ওঠে ভাদু উৎসবে। এই উৎসব মূলত মহিলাদের হলেও বাড়ির পুরুষরাও অংশ গ্রহণ করেন। খাঁজা, গজা, বড় বড় লাড্ডু, জিলিপি ও রকমারি মিষ্টি হল পরবের মূল আকর্ষণ। কোথাও আকর্ষণ ২১ কেজির লাড্ডু আবার কোথাও ১০ কেজি–র জিলিপি। প্রতি বছরের মতো এবছরও পুরুলিয়া তথা গোটা মানভূম অঞ্চলের মানুষ ভাদু পরবে মেতে উঠেছেন।
কেউ এই ভাদুদেবী?‌ লোকশ্রুতি বলে ভাদু বা ভদ্রাবতী হলেন পঞ্চকোট রাজকন্যা। কিন্তু কোনও রাজার কন্যা ছিলেন তিনি তা স্পষ্ট করা হয়নি। আবার অন্য মতে কৃষি প্রধান সীমান্ত বাংলায় ভাদু ছিলেন ব্রাত্য জনের কৃষির দেবী। আষাঢ়–শ্রাবণ মাসে চাষের কাজ শেষ করার পর মানুষ কৃষি লক্ষ্মীর পুজো করতেন ভাদ্র মাসে। তাই সেই দেবীর নাম ভাদু।
রাজপরিবারের পাশাপাশি ভাদু উৎসবে শামিল হতেন বহু মানুষ। এখন এই উৎসব গ্রামে গ্রামে জাকজমকভাবে পালন করা হয়। তবে ভাদু উৎসব এরাজ্য ছাড়াও গোটা সিংভুম ও রাঢ় বাংলার মানুষ মেতে উঠেন। অবশ্য এরাজ্যের বাঁকুড়া, বীরভুম, দুই মেদিনীপুর–সহ বেশ কয়েকটি জেলায় ভাদু পরব হয়। চকবাজারের প্রতিটি দোকানে হাজার হাজার মানুষের মিষ্টি কেনার ভিড় হয়। ভাদু পুজোর প্রসাদ হল খাঁজা, গজা ও নানা রকম মিষ্টি। বাঁশ ও রঙিন কাগজ দিয়ে তৈরি ঘরের মধ্যে ভাদু মূর্তিকে স্থাপন করেন। সারারাত ধরে হবে ভাদুর জাগরণ। ভাদুর সামনে প্রসাদ হিসেবে রাখা হবে খাঁজা, গজা, বড় বড় লাড্ডু ও জিলিপি। মহিলারা রাত জেগে ভাদু গান করবেন।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 16
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~