সোনা পাচারকাণ্ডে পুলিসের জালে এসডিপিও সহ আরও চার!

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 33
    Shares

কোটি টাকার সোনা পাচার করেছেন রাজ্য পুলিসের এক এসডিপিও–সহ চারজন। এর মধ্যে রয়েছে সেনার একজন লেফটন্যান্ট কর্নেলও। এছাড়া রয়েছেন এক থানার ওসি–সহ আরও কয়েকজন। সিআইডির কাছে গত কয়েকমাস ধরেই খবর আসছিল ভুটান সীমান্ত দিয়ে প্রচুর পরিমাণ বেআইনি সোনা পাচার। সেই খবরের সূত্র ধরেই কেন্দ্রীয় শুল্ক দপ্তর উত্তরবঙ্গের একাধিক জায়গায় হানা দেয়। সিআইডির কাছে খবর আসে চলতি সপ্তাহে ১৫ কেজি সোনা পাচার করা হবে এই রাজ্যে। পাচারকারীর উপর নজর রাখতে গিয়ে সিআইডি আধিকারিকরা জানতে পারে, ১০ সেপ্টেম্বর হাসিমারায় একটি গাড়ি আটক করে পুলিশ। ওই গাড়িতেই ছিল ২৫টি সোনার বিস্কুট। মুখে ওই সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করলেও, আদতে তা হয়নি। ওই সোনা যে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তা সরকারিভাবে জানায়নি পুলিশ। তার পরিবর্তে ওই সোনার বিস্কুটগুলি ধৃতরা ভাগাভাগি করে নেয়। সেখানেই সন্দেহ দানা বাঁধে সিআইডির। ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরই শুক্রবার রাতে জয়গাঁ পৌঁছান সিআইডি-র শীর্ষ আধিকারিকরা। জয়গাঁ-র এসডিপিও অনিরুদ্ধ ঠাকুর ও হাসিমারা থানার অফিসার-ইন-চার্জ কমলেন্দ্র নারায়ণকে আটক করা হয়। তাদের আটক করে সিআইডি জানতে পারে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল ও এক জওয়ান। রাতভর জেরা করা হয় তাদের। এরপরই সোনা পাচারকাণ্ডে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়। সূত্রের খবর, সোনা পাচার নিয়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। আইনের রক্ষক হয়ে যারা এই ধরনের পাচারকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত, তাদের পুলিশে কাজ করার অধিকার নেই বলেই ক্ষোভপ্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভপ্রকাশের পর রাতেই গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্তদের। সিআইডি সূত্রে খবর, ভুটান সীমান্ত ব্যবহার করে দীর্ঘদিন সোনা পাচার করছিল অভিযুক্তরা। এর মধ্যে বেআইনিভাবে আরও ১৫ কেজি সোনা পাচার করার চেষ্টায় ছিল তারা। আলিপুরদুয়ার থেকে গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্তদের।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 33
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~