বিংশ শতকের শেষার্ধে আবির্ভূত এক প্রথিতযশা বাঙালি সাহিত্যিকের জন্মদিনে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন 

শেয়ার করুন সকলের সাথে...

“এই নদী গৌতম বুদ্ধকে দেখেছিল

পরবর্তী বারুদের আস্তরণও গায়ে মেখেছিল

এই নদী তুমি ।“

 

করপুটে শ্রদ্ধা স্মরণ “নীললোহিত “ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ।

( ১৯৩৪ , ৭ সেপ্টম্বর – ২৩ অক্টোবর ২০১২)

নীললোহিত , সনাতন পাঠক এবং নীল উপাধ্যায়  নামে বিবিধ সাহিত্য মননে  স্মরণীয়  হয়ে আছেন ।

“আমার ভালোবাসার কোন জন্ম হয় না

মৃত্যু হয় না –

কেননা আমি অন্যরকম  ভালোবাসার হীরের গয়না শরীরে নিয়ে জন্মেছিলেন “

সত্যই তাই আজ  সেই প্রথিত যশা ব্যক্তিত্বকে স্মরণ করব আমরা। তিনি বহুমুখী সত্ত্বায়  কবি , ঔপন্যাসিক , ছোটগল্পকার , সম্পাদক , সাংবাদিক ও কলামিস্ট হিসাবে আত্মসারস্বত সাধনায় সাহিত্যকে যথার্থ সম্বৃদ্ধ করেন ।আধুনিক বাংলার জীবনানন্দের পরবর্তী এক অনন্য পুরোধা তিনি ,আধুনিক ও রোমাণ্টিকতায় , এখানেই হয়ত কবির কলম শ্রদ্ধা । উল্লেখ্য “ হঠাৎ নীরার জন্য “ রাত্রির রঁদেভূ , শ্যামবাজারের মোড়ের আড্ডা , “অরণ্যের দিনরাত্রি”, “মনের মানুষ “ ।

শিশুসাহিত্যে “কাকাবাবু – সন্তু “ গোয়েন্দা সিরিজের রচয়িতা । এমন বাস্তব মনের করণ আর ভাবের ভাষা নিবন্ধে আমরা তাঁকে স্মরণ করি বার বার । সাহিত্যের ভূমে মন আর সামাজিকতা ছেড়ে পাঠ নয় । তবে এ পাঠ যে সাহিত্য মনের করণে নারী পুরুষ , বিচার ভেদে মানুষের মনের কথা ব্যক্ত করে সেই পাঠের পাঠক হিসাবে আমরা গর্ব অনুভব করি ।

“দিগন্ত থেকে ভেসে আসছে বিসর্জনের সুর –

ঘুম ভাঙার ভপর যেন আমার মন ভালো হয়ে যায় ।“  

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.