সাত রোহিঙ্গাকে মায়ানমারে পাঠানোর সিদ্ধান্তে সিলমোহর….

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 27
    Shares

২০১২ সালে দেশে অবৈধ অনুপ্রবেশের জন্য সাতজনকে রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকালই তাঁদের মায়ানমারে ফেরত পাঠানোর কথা জানায় সরকার। সরকারের শীর্ষ আইনজীবী তুষার মেহতা, আদালতে বলেন যে মায়ানমারের দূতাবাস রোহিঙ্গাদের পরিচয়ের শংসাপত্র দিতে রাজি হয়েছে। কেন্দ্র সরকারের সেই সিদ্ধান্তই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট৷ অসমের একটি জেল থেকে রোহিঙ্গা মুসলমানদের মায়ানমারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেই জানিয়েছে আদালত। শীর্ষ আদালত জানায়, “আমরা যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়েছে তার উপর হস্তক্ষেপ করতে চাই না,”।
মায়ানমারে বহু বছর ধরে নির্যাতন চলার পর প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা ভারতে চলে এসে বসবাস করতে শুরু করে। গত বছর সরকার আদালতকে জানায় যে, রোহিঙ্গা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকারক। বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলির সাথে তাঁদের যোগ আছে এবং সন্ত্রাস হামলার জন্য আইএসআইএস এদেরকে ব্যবহার করছে। রাজ্য সরকারকে তাদের সনাক্ত করে ও নির্বাসন দেওয়ার জন্যও জানায় সরকার।
জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক তেন্ডাই আচিউম বলেন, “এই রোহিঙ্গারা তাঁদের দেশে যে পরিমাণে জাতিগত বৈষম্যের শিকার হয়েছে, যে পরিমাণে তাঁদের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে তা স্বীকার করতে ভারতের আন্তর্জাতিক আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা প্রদান তাঁদেরও দায়িত্ব।” তবে
ভারত সরকার জানিয়েছিল, রোহিঙ্গারা অবৈধ অভিবাসী এবং মায়ানমার তাদের নিজের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে নিয়েছে।
এই রোহিঙ্গারা সেন্ট্রাল রাখাইনের কাউক দও টাউনশিপ থেকে এসেছেন। যেখান থেকে হাজার হাজার মানুষ সংখ্যালঘুদের উপর জাতিগত আক্রমণের কারণে পালিয়ে আসেন। নয়াদিল্লির এই পদক্ষেপ জাতিসংঘের সমালোচনার মুখে পড়েছে। তাঁদের মতে, শরণার্থীদের ফেরত পাঠানর ঘটনা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 27
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~