খবর ২৪ ঘন্টা

সিরিয়ার গৌতায় চলছে বোমাবর্ষণ, বাড়ছে  মৃত্যু

শেয়ার করুন সকলের সাথে...

সিরিয়ার গৌতায় ক্রমশ অবনতি হচ্ছে পরিস্থিতির৷ রুশ-সমর্থিত সরকারী সেনা দামেস্কের কাছে বিরোধীদের ঘাঁটি পূর্ব গৌতায় অভিযান শুরু করেছে৷ এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় হাজার জন৷
পূর্ব গৌতায় ৪ লাখ সাধারণ নাগরিকের বসবাস৷ ২০১৩ সাল থেকেই সেখানে রয়েছেন তাঁরা৷ এছাড়াও রয়েছে প্রচুর সশস্ত্র গ্রুপের উপস্থিতি৷ সিরীয় সৈন্যরা গত তিন সপ্তাহে অর্ধেকের বেশি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

জইশ আল-ইসলামের মতো ইসলামপন্থী গ্রুপগুলো ছাড়াও হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএম) জিহাদীরাও এখানে রয়েছে বলে খবর৷ রেডক্রস কমিটি বলেছে, ১৩টি ট্রাক ২৪০০ খাবারের প্যাকেট নিয়ে ইতিমধ্যেই পূর্ব গৌতায় পৌঁছেছে। কিন্তু প্রধান শহর দুমার কাছে বোমাবর্ষণ চলায় আইসিআরসি, সিরীয় আরব রেডক্রিসেন্ট ও রাষ্ট্রসঙ্ঘের কনভয় হামলার মুখে৷
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, সিরিয়ায় জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে চিকিৎসা সংস্থায় ৬৭ বার হামলা হয়েছে৷ এর মধ্যে রয়েছে ২০টি হাসপাতাল, ১৬টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ২টি এ্যাম্বুলেন্স স্টেশন ও একটি ওষুধ সরবরাহের গুদামঘর।

সিরিয়ার বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত পূর্ব গৌতায় মাত্র দু’সপ্তাহের বোমা হামলাতেই এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন৷ ৪ হাজার ৮শ’ মানুষ আহত হওয়ার পরিসংখ্যান দিয়েছে আন্তর্জাতিক দাতব্য চিকিৎসা সংস্থা মিতসঁ সঁ ফ্রঁতিয়ে৷
এদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দাবি সিরিয়ার সরকারি বাহিনী রাসায়নিক হামলা চালিয়েছে বলে যে খবর প্রচারিত হয়েছে তা একেবারেই মিথ্যে৷


এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, সিরিয়ার সরকার তার রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ অনেক আগেই ধ্বংস করেছে। ২০১৩ সালে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা ও চুক্তির পর সিরিয়ার সমস্ত রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস করা হয়।
পুতিন বলেন, রাসায়নিক অস্ত্র দিয়ে সন্ত্রাসীরা হামলা চালাচ্ছে এবং দোষ চাপাচ্ছে সিরিয়ার বাশার আল আসাদ সরকারের ওপর। গত কয়েক বছরে এই কাজই বার বার করেছে সন্ত্রাসীরা। কিন্তু এ ইস্যুতে এখন পর্যন্ত কোনো পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হয়নি।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...