অসমের নিহতদের পরিবারকে নিয়ে রাষ্ট্রপতির দরবারে তৃণমূল

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 7
    Shares

রবিবার সকালেই অসম পৌঁছয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল৷ তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েনের নেতৃত্বে দলের তিন সাংসদ ও এক বিধায়ক ডিব্রুগড় বিমানবন্দরে পা রাখেন৷ সেখান থেকে সোজা তারা চলে যান তিনসুকিয়ার ধোলা এলাকায়৷ তিনদিন আগে এখান থেকে পাঁচ বাঙালি যুবককে ডেকে নিয়ে গিয়ে গুলি করে খুন করা হয়৷ সেই ঘটনায় নিহতদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে দেখা করবে তৃণমূল কংগ্রেস৷ ইতিমধ্যেই দলের তরফে রাষ্ট্রপতি ভবনে সাক্ষাতের সময় চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে৷ দলের তরফে পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকার বার্তাও দেওয়া হয়েছে৷
এদিন তৃণমূলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি অসমে বাঙালিদের পাশে রয়েছেন। প্রতিনিধিদলে ছিলেন, তিন সাংসদ ও এক বিধায়ক। এঁরা হলেন সর্বভারতীয় তৃণমূলের মুখপাত্র ও রাজ্যসভায় দলনেতা ডেরেক ও’‌ব্রায়েন, দুই সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর, নাদিমুল হক ও বিধায়ক মহুয়া মৈত্র। সকালের বিমানে তাঁরা ডিব্রুগড় যান৷ সেখান থেকে প্রায় ঘণ্টা দু‌য়েক পথ পেরিয়ে তাঁরা যান অভিশপ্ত খেরানিবাড়ি গ্রামে। এখানেই ৫ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। প্রতিনিধিদল নিহতদের পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে দেখা করেন৷ আর্থিক সাহায্যও দেওয়া হয় বলে ডেরেক ও’‌ব্রায়েন জানান।
নাগরিকপঞ্জি চালু হওয়ার পর থেকেই মমতা প্রতিবাদ করেন। তিনি বলেন, ‘‌৪০ লক্ষ বাঙালির নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।’‌ তিনি বিজেপি সরকারকে দায়ী করেন। এ বছরই নাগরিকপঞ্জির সময় মমতা প্রথমে শিলচরে প্রতিনিধিদল পাঠান। সেই সময় শিলচর বিমানবন্দরেই প্রতিনিধিদলকে বাধা দেওয়া হয়। বিমানবন্দরেই অবস্থান করে প্রতিনিধিদল ফিরে আসে কলকাতায়। সেই প্রতিনিধিদলে ছিলেন সুখেন্দুশেখর রায়, কাকলি ঘোষদস্তিদার, রত্না দে নাগ, মমতাবালা ঠাকুর, মহুয়া মৈত্র। পরের বিমানে শিলচরে নামেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। বিমানবন্দরে পুলিসের সঙ্গে তাঁদের ধ্বস্তাধস্তি হয়। রাজনীতিতে ঝড় ওঠে।
এই গণহত্যার দিন রাতেই তীব্র প্রতিবাদ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি বলেন, ‘‌নাগরিকপঞ্জির পরিণামে এই হত্যাকাণ্ড। অসহায় নিরীহ গরিবদের হত্যা করা হচ্ছে।’‌

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 7
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~