বাংলাতেও এবার হিন্দুত্বের তাস বিশ্ব হিন্দু পরিষদের….

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 32
    Shares

লোকসভা নির্বাচনের আগে রামমন্দির নিয়ে এ রাজ্যেও হুল্লোড় সৃষ্টি করতে পারলে তার ফল পাওয়া যেতেই পারে। বিজেপি অন্তত সেই আশায় বুক বেঁধেছে। তারই প্রভাব পড়ছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আগাম কর্মসূচিতে৷ জানা গিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ রাজ্যের জেলায় জেলায় ধর্ম সম্মেলন করবে। এই সম্মেলনের মাধ্যমে তারা বাঙালিকে সঙ্কল্প নিতে বলবে, যাতে অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণে সব বাধা দূর হয়। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা শচীন সিংহ মঙ্গলবার বলেন, এ রাজ্যে আমরা জেলাভিত্তিক ধর্ম সম্মেলন করব। জনজাগরণের জন্য এই সম্মেলন করা হবে।
১৮ ডিসেম্বর গীতাজয়ন্তী। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ওই দিন থেকে টানা ৭ দিন বাংলার গ্রামে গ্রামে গিয়ে পুজো, যজ্ঞ, কীর্তনের আয়োজন করবে। গ্রামের মন্দিরে বা অন্য যে–‌কোনও পুজোর জায়গায় গিয়ে পুজো–‌আচ্ছা করবে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। এইভাবে ভিএইচপি সব গ্রামবাসীকে মন্দির নির্মাণের ব্যাপারে সোচ্চার হতে বলবে।
সোমবার অযোধ্যা‌য় রামমন্দির নির্মাণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছে, তাতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ মোটেই খুশি নয়। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মতে, এত বছর হয়ে গেল তবু রামমন্দির ইস্যু নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া গেল না। আদালত এই সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। শচীন সিংহ বলেন, ‘‌সুপ্রিম কোর্টের ওপর আমাদের আর কোনও আস্থা নেই।’‌ তাঁর বড়ই আক্ষেপ, ‘‌আমাদের মাথার ওপর ছাদ আছে কিন্তু রামচন্দ্র তাঁবুতে আছেন। আমরা রামচন্দ্রের মাথায় ছাদ তৈরি করে দিতে পারছি না।‌ আমাদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার সংসদে বিশেষ আইন এনে রামমন্দির তৈরি করার জন্য উদ্যোগ নিক। এর আগে সোমনাথ মন্দিরের ক্ষেত্রে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’‌
দল সূত্রে খবর রামমন্দিরের মতো ইস্যুতে বাঙালিকে যুক্ত করতে চাইছে তারা। ভিএইচপি–‌র মতে, এটা কোনও রাজনৈতিক কাজ নয়, এটি হচ্ছে
বিশ্বাসের ব্যাপার। তাই এ জন্য মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে। দেখা যাচ্ছে, কয়েক বছরে ‌‌এ রাজ্যে রামনবমী, হনুমান জয়ন্তীর মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে। ভিএইচপি মনে করে, রামমন্দির গড়ার কাজেও বাঙালিকে পাশে পাওয়া যাবে। এবার ভিএইচপি এই ‘‌মনে
হওয়া’টাকে বাস্তব রূপ ‌দিতে মাঠে নেমে পড়ছে।

Facebook Comments

শেয়ার করুন সকলের সাথে...
  • 32
    Shares

খবর এক নজরে…

No comments found

Sponsored~